1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ঈদ, বেঁচে থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ঈদ, বেঁচে থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫
  • ৩০৭ বার পঠিত
গাজায় ঈদ

শোকের ছায়ায় ঈদ: গাজায় স্বজনহারা ফিলিস্তিনিরা এবারও বেঁচে থাকার লড়াইয়ে!

মুসলিমদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর যখন বিশ্বজুড়ে খুশির বার্তা নিয়ে আসে, তখন ফিলিস্তিনের গাজায় তা পরিণত হয় এক ভয়াবহ বেঁচে থাকার সংগ্রামে। প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের আনন্দ ফিকে হয়ে গেছে গাজার জন্য। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই ভূখণ্ডে ঈদ মানেই শোক, ধ্বংসস্তূপের মাঝে স্বজনদের লাশ খোঁজা।

১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইসরায়েলি বাহিনী যখন গাজায় ভয়াবহ হামলা চালায়, তখন থেকেই ঈদের আনন্দের বদলে শোকে কাতর হয়ে পড়ে ফিলিস্তিনিরা। এ পর্যন্ত ৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। এই পরিস্থিতিতে ঈদ কীভাবে উদযাপিত হবে, সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বড়।

অন্য বছরগুলোর মতো এবারও যুদ্ধবিরতির কোনো সম্ভাবনা নেই। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ঈদের দিনেও গাজার জন্য কোনো বিশেষ বিবেচনা থাকবে না। অর্থাৎ, ঈদের সকালে আকাশে উড়বে না আনন্দের আতশবাজি, বরং বোমার শব্দে প্রকম্পিত হবে পুরো উপত্যকা।

গাজার খাদ্য সংকট এতটাই ভয়াবহ যে ঈদের ঐতিহ্যবাহী খাবার সুম্মাকিয়া রান্না করাও দুঃস্বপ্নের মতো। বাজারে নেই মাংস, ছোলা, তিল কিংবা শাকসবজি। বিদ্যুৎ নেই, রান্নার গ্যাস নেই, খাবারের যোগানও নেই। ঈদের দিনেও হাজারো শিশু না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়বে, কারণ খাবারের চেয়ে বেঁচে থাকাটাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় লড়াই।

তবে এত কষ্টের মাঝেও ফিলিস্তিনিরা তাদের সংস্কৃতি আঁকড়ে ধরে রেখেছে। ধ্বংসস্তূপের ভেতরেও শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মায়েরা। যদিও ঈদ উপহার হিসেবে চকোলেট কিংবা নতুন পোশাক কেনার সামর্থ্য নেই, তারপরও কিছু না কিছু দিয়ে সন্তানদের খুশি রাখার চেষ্টা করছেন তারা।

গাজায় এবারও ঈদ মানেই স্বজন হারানোর কান্না, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন। বেঁচে থাকাই যেখানে কঠিন, সেখানে ঈদের আনন্দ যেন এক অধরা স্বপ্ন।

সূত্র : আল জাজিরা

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..