1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
বাম্পার ফলনেও দুশ্চিন্তায় কৃষক, হোমনায় আলুর দরপতন! - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন

বাম্পার ফলনেও দুশ্চিন্তায় কৃষক, হোমনায় আলুর দরপতন!

  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫
  • ১৮৬ বার পঠিত
হোমনায় আলু

হোমনায় আলুর বাম্পার ফলন, কিন্তু ন্যায্য মূল্য নিয়ে কৃষকদের দুশ্চিন্তা

কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় এবার আলুর আশাতীত ফলন হলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কায় কৃষকদের কপালে ভাঁজ পড়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও পলি মাটির আশীর্বাদে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি উৎপাদন হয়েছে, কিন্তু কোল্ড স্টোরেজের অভাবে দরপতনের আতঙ্ক তাড়া করে ফিরছে কৃষকদের।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, গত অর্থবছরে মেঘনায় ৩১৩ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল, এবার তা বেড়ে হয়েছে ৩৭২ হেক্টর। উন্নত জাতের বীজ ও অনুকূল পরিবেশে ফলন রেকর্ড ছাড়িয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকরা লাভের নিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

চাষিদের ভাষ্যমতে, এবার আলু চাষে খরচও বেড়েছে। প্রতি ৩০ শতক জমিতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে, আর শ্রমিকদের পারিশ্রমিক বিঘাপ্রতি ৫ হাজার টাকা। অথচ বাজারে আলুর দর নিম্নমুখী।

গোবিন্দপুরের চাষি আল আমিন বলেন, “কয়েকদিন আগেও ৮০ কেজির বস্তা ১৪০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন তা নেমে এসেছে ১২৫০ টাকায়! এমন চললে আমাদের পথে বসতে হবে।”

বিজয়নগরের কৃষক শহীদুল ইসলাম ১২০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন। তার বক্তব্য, “ফলন ভালো, কিন্তু দরপতনের কারণে লাভ অনিশ্চিত। এখানে কোল্ড স্টোরেজ নেই, সংরক্ষণের সুযোগ নেই, আর সরকারি সহায়তাও পাই না।”

হোমনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, “এলাকার মাটি আলু চাষের জন্য খুবই উপযোগী, এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি উৎপাদন হয়েছে। কৃষকদের উন্নত জাতের চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যাতে তারা আরও ভালো ফলন পান।”

তবে কৃষকদের একটাই চাওয়া—ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন। বাজার ব্যবস্থাপনায় নজরদারি না থাকলে এই বাম্পার ফলনই যে অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে, সেটাই এখন তাদের বড় দুশ্চিন্তা!

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..