শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন
রাউজান প্রতিনিধি:
পূর্ব গুজরারের কান্তচৌকিদার বাড়ী গ্রামে ঐতিহ্যবাহী সার্বজনীন শ্রী শ্রী শিব মন্দিরের উদ্যোগে ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি শিবরাত্রীব্রত ও শিব চতুর্দ্দশী পূজার মহতী আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। এই পূণ্যলগ্নে আধ্যাত্মিক পরিবেশে মুখরিত হয়ে ওঠে সমগ্র এলাকা।
দুই দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসবে ভক্তদের ঢল নামে। আয়োজনের মধ্যে ছিল নগরকীর্তন, মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, শ্রী শ্রী শিবরাত্রীব্রত, শিব চতুর্দ্দশী পূজা, শ্রীমদ্ভগবদগীতা প্রতিযোগিতা, ধর্মীয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, নৃত্য প্রতিযোগিতা, শঙ্খধ্বনি প্রতিযোগিতা, অন্নপ্রসাদ বিতরণ ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।
বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠ ও বক্তব্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন ভ্রাম্যমাণ গীতা প্রচার সংঘের অর্থ সম্পাদক সুজন চক্রবর্তী। শিব মন্দিরের পৌরহিত্য করেন পন্ডিত জয় চক্রবর্তী ও সুমন চক্রবর্তী। ধর্মীয় পরিবেশনা করেন ভ্রাম্যমাণ গীতা প্রচার সংঘের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অপূর্ব দে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিব মন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি রিটন মহাজন। সঙ্গে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক তপন বৈদ্য, সহ-সভাপতি লিটন বৈদ্য ও বিকাশ দে, সহ-সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ মহাজন ও টিটন বৈদ্য, অর্থ সম্পাদক পলাশ দত্ত, সহ-অর্থ সম্পাদক অজিত বৈদ্য, সাংগঠনিক সম্পাদক অরবিন্দু বৈদ্য, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারাধন দে ও সুমন মহাজন, দপ্তর সম্পাদক সাজিব দে, সহ-দপ্তর সম্পাদক রাজু দে ও অভি দে, প্রচার সম্পাদক কাজল দে, সহ-প্রচার সম্পাদক পরিতোষ দে, ধর্মীয় বিষয়ক সম্পাদক জিকু দে, সহ-ধর্মীয় বিষয়ক সম্পাদক সাগর দত্ত, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক প্রদীপ দে, সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক দীপঙ্কর দাশ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অপু মহাজন এবং সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রকাশ দত্ত।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ভারতশ্বরী প্লাজার স্বত্বাধিকারী মিন্টু দে, অনিক দাশ (সাজু), টিটু দাশ, রুবেল দে, প্রশান্ত দে, তপন দে, টিটন মহাজন, সুমন দে, রনি দে, বিজয় বৈদ্য, রাসেল দে, মিটন দে, সৈকত দে, অর্ক বৈদ্য, অন্তর দে, অজয় দে, প্রান্ত দে, অভিজিৎ দে এবং কমিটির অন্যান্য সম্মানিত সদস্যবৃন্দ।
শিব চতুর্দ্দশী উপলক্ষে দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো পূর্ণার্থী ভক্তরা সমবেত হন। ধূপকাঠির মিষ্টি গন্ধ, শঙ্খধ্বনি ও ভক্তদের উচ্ছ্বাসে মুখরিত হয় শিব মন্দির প্রাঙ্গণ। ভক্তরা মহাদেবের আশীর্বাদ কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করেন এবং এই উৎসব হয়ে ওঠে এক অনন্য আধ্যাত্মিক মিলনমেলা।