1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
ড. ইউনূসকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে হৃদয়ছোঁয়া এক বার্তা দিলেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

ড. ইউনূসকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে হৃদয়ছোঁয়া এক বার্তা দিলেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ১৯২ বার পঠিত
ড. ইউনূসকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

নোবেলজয়ীর জন্মদিনে রাষ্ট্রদূতের কণ্ঠে জাতির কৃতজ্ঞতার বার্তা
অনলাইন  ডেস্ক

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।
শনিবার (২৮ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।

সেখানে রাষ্ট্রদূত লেখেন— ‘বর্তমান যিনি নির্মাণ করেছেন, ভবিষ্যতের দিশা দেখাচ্ছেন সাহস আর নৈতিকতার দীপ্তিতে— তাঁকেই জানাই জন্মদিনের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। তিনি আমাদের অহংকার, নোবেলজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর দূরদর্শিতা নতুন আশার প্রদীপ জ্বালায় এবং গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মর্যাদার সংগ্রামে সাহস জোগায়।’

প্রসঙ্গত, আজ শনিবার বিশ্বনন্দিত অর্থনীতিবিদ ও সমাজ সংস্কারক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৮৫তম জন্মদিন। ১৯৪০ সালের ২৮ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেন চট্টগ্রামের হাটহাজারীর শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া গ্রামে। এদিনটিকে ঘিরে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ব্যক্তি, সংগঠন ও শুভানুধ্যায়ী তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

ড. ইউনূসের পিতা দুলা মিঞা সওদাগর ছিলেন একজন মহুরী এবং মাতা সুফিয়া খাতুন একজন গৃহিণী। তাঁর স্ত্রী অধ্যাপক দিনা আফরোজ, দাম্পত্য জীবনে তাঁদের রয়েছে দুই কন্যাসন্তান।

২০০৬ সালে ড. ইউনূস ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘গ্রামীণ ব্যাংক’ যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনিই প্রথম বাংলাদেশি যিনি এ সম্মান অর্জন করেন। নোবেলের পাশাপাশি তিনি বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মান লাভ করেছেন, যা তাঁকে একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসংস্কারক হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিতি দিয়েছে।

ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন ব্যতিক্রমী মেধাবী। চট্টগ্রাম কলিজিয়েট স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ৩৯ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬তম স্থান অর্জন করেন। এরপর চট্টগ্রাম কলেজ ও পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬১ সালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজে প্রভাষক হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীতে অধ্যাপক হন।

১৯৬৫ সালে ফুলব্রাইট স্কলারশিপে যুক্তরাষ্ট্রে যান তিনি। ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টে স্নাতকোত্তর ও ১৯৭১ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি আমেরিকায় থেকেই গঠন করেন নাগরিক কমিটি এবং পরিচালনা করেন ‘বাংলাদেশ ইনফরমেশন সেন্টার’। প্রবাসে থেকেও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে তাঁর ছিল অনন্য ভূমিকা।

স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ তাঁকে দারিদ্র্য ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামিয়ে আনে। তিনি চালু করেন গ্রামীণ অর্থনৈতিক প্রকল্প, যার লক্ষ্য ছিল দরিদ্রদের অর্থনৈতিক সহায়তা। ১৯৭৬ সালে জোবরা গ্রামে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেন ‘গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প’, যা ১৯৮৩ সালে পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

আজ গ্রামীণ ব্যাংক মডেল শুধুমাত্র বাংলাদেশের গ্রামেই নয়, বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে অনুসরণীয় মডেল। দারিদ্র্য বিমোচনে তাঁর অবদান বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। তিনি স্বাধীনতা পুরস্কারসহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। বিশেষভাবে, তিনি সেই বিরল ব্যক্তিদের একজন, যিনি একসাথে নোবেল শান্তি পুরস্কার, মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল অর্জন করেছেন।

গত বছরের জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে রাজপথে ছাত্র-জনতার জাগরণ শুরু হয়। আন্দোলন এক দফা দাবিতে সরকারের পদত্যাগে রূপ নেয়। শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও ভারতে আশ্রয়ের পর ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যেখানে তিনি বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..