1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
মুসলিম বিশ্ব একজোট, বিপাকে ভারত! - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
সরকারি অনুদানে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, চিত্রনাট্য জমা দিতে আহ্বান নির্মাতাদের বজ্রপাতের ঝুঁকিপূর্ণ সময় কখন, নিরাপদ থাকতে জরুরি করণীয় জানুন রূপপুরে প্রথম ফুয়েল লোডিং শুরু, বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বড় অগ্রগতি ইন্দোনেশিয়ায় ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত বহু দেশের সব রুটে বাস ভাড়া বাড়ল, আজ থেকে নতুন মূল্য কার্যকর বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন, হাতে বিষের বোতল তাপপ্রবাহে পুড়ছে ২১ জেলা, স্বস্তির আভাস নেই শিগগিরই এক সপ্তাহে লোডশেডিং কমানোর ঘোষণা বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর পুলিশ সুপার চার কর্মকর্তার বদলি ও নতুন পদায়নের নির্দেশ মনপুরায় পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

মুসলিম বিশ্ব একজোট, বিপাকে ভারত!

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫
  • ১৮৭ বার পঠিত
ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ

৫৭ দেশের সমর্থনে দাঁড়ানো পাকিস্তান বদলে দিচ্ছে খেলা!

অনলাইন ডেস্ক

সম্প্রতি ভারতের কাশ্মীর অঞ্চলের পেহেলগামে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ বন্দুক হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৬ জন। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই ভারতের পক্ষ থেকে সরাসরি পাকিস্তানকে দোষারোপ করা হচ্ছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই হামলাকে ‘সন্ত্রাসী তৎপরতা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, জড়িতদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে এবং তিন বাহিনীকে সীমান্তে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে পাকিস্তান তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ইসলামাবাদ বারবার বলছে—তারা সন্ত্রাসবাদে বিশ্বাস করে না এবং প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করতেই যৌথ তদন্ত জরুরি।

তবে ভারতের দাবি, পাকিস্তানই এই হামলার মূল উৎস, আর তারাই এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে উত্তেজনা। সীমান্তে প্রতিদিন চলছে গোলাগুলি, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা—সব মিলিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির আশঙ্কা এখন যেন বাস্তবতায় রূপ নিচ্ছে।

এই পটভূমিতে বড় একটি চমক দিয়ে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে ৫৭টি মুসলিম দেশ নিয়ে গঠিত সংস্থা ওআইসি (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন)। তারা এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভারতের এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ দক্ষিণ এশিয়াকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে। সেই সঙ্গে কাশ্মীর সমস্যাকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমাধানের দাবিও জানিয়েছে তারা।

ওআইসি-র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষ আজও তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত। দীর্ঘদিনের এই অমীমাংসিত ইস্যুই দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও নিরাপত্তার মূল অন্তরায়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘ ও প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়, তারা যেন দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।

ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা শুধু কথার লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই। কূটনৈতিক পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে জোরালোভাবে। ভারত ইতোমধ্যেই আটারি সীমান্ত বন্ধ করেছে, পাকিস্তানিদের দেশে ফেরত যেতে বলেছে এবং সকল ভিসা বাতিল করেছে। সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত ছিল—সিন্ধু নদের পানিবণ্টন চুক্তি স্থগিত করা।

পাকিস্তানও পাল্টা জবাব দিয়েছে। তারা ঘোষণা করেছে—সিমলা চুক্তি স্থগিত, ভারতের সঙ্গে সমস্ত বাণিজ্য বন্ধ, আকাশসীমা নিষিদ্ধ—সব মিলিয়ে সম্পর্ক প্রায় ছিন্ন হওয়ার পথে। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ বলেছেন, ভারতের পদক্ষেপকে তারা ‘যুদ্ধের ঘোষণা’ হিসেবেই দেখছে। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন—পাকিস্তান তাদের পানির অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ তো হুমকির সুরে বলেন, “মোদি উত্তেজনা বাড়ালে, আমরা তাকে তার বাড়ি পর্যন্ত ধাওয়া করব।”

এই উত্তপ্ত অবস্থায় আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও কূটনীতিকরা বলছেন, ভারত এখনও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। তাই দিল্লি যদি একতরফাভাবে সামরিক অভিযান শুরু করে, তাহলে আন্তর্জাতিক সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। কিন্তু বিষয়টি এখানেই থেমে নেই—কারণ দুই দেশই পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত। সামান্য ভুলে যদি সংঘর্ষের আগুন জ্বলে ওঠে, তা হলে তা পুরো উপমহাদেশকে ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

এই পরিস্থিতি এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর নজরে। বিশ্ব তাকিয়ে আছে—দক্ষিণ এশিয়া কি শান্তির পথে হাঁটবে, নাকি ভয়ঙ্কর যুদ্ধের আগুনে পুড়বে এই জনপদ?

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..