1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
আজারবাইজান ফ্লাইটে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিস্ফোরক দাবি - Janatar Jagoron

আজারবাইজান ফ্লাইটে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিস্ফোরক দাবি

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৭৯ বার পঠিত
আজারবাইজান ফ্লাইটে রাশিয়া

অডিও-চিঠিতে ফাঁস, রুশ ক্ষেপণাস্ত্রেই ভূপাতিত আজারবাইজান ফ্লাইট!
অনলাইন ডেস্ক

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস হয়েছিল আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ৮২৪৩—এমনই বিস্ফোরক দাবি তুলেছে আজারবাইজানের একটি গণমাধ্যম। মঙ্গলবার (১ জুলাই) প্রকাশিত এক নতুন অডিও রেকর্ডিং ও চিঠির ভিত্তিতে এ তথ্য সামনে এসেছে।

২০২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ফ্লাইট ৮২৪৩ দুর্ঘটনায় পড়ে। তখন থেকেই রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকলেও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলেনি।

গণমাধ্যম দাবি করেছে, তারা একটি বেনামি চিঠি পেয়েছে, যাতে সাক্ষ্য, অডিও ক্লিপ এবং কারিগরি বিশ্লেষণ রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘটনার সময় ব্যবহৃত যোগাযোগ সরঞ্জামের গুরুতর ত্রুটি উঠে এসেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর ক্যাপ্টেন দিমিত্রি সের্গেইভিচ পালাদিচুক সরাসরি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কাজ করছিলেন। তিনি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের অনুমতি দেন।

পালাদিচুক ২৪ থেকে ২৫ ডিসেম্বর গ্রোজনির কাছে দায়িত্বে ছিলেন এবং তার ইউনিটকে সেদিন সর্বোচ্চ যুদ্ধ প্রস্তুতিতে যেতে বলা হয়।

চিঠিতে আরও উল্লেখ আছে, মোবাইল সিগনাল দুর্বলতা এবং কার্যকর তারযুক্ত নেটওয়ার্কের অভাবে সমন্বয় মোবাইল ফোনের ওপর নির্ভর করছিল। সেদিন ঘন কুয়াশায় অপটিক্যাল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে পালাদিচুককে ফোনেই লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের নির্দেশ দিতে হয়। এরপর দুইটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।

লিখিত বিবরণে জানানো হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সময় লক্ষ্যবস্তুর অবস্থান, গতি ও দিকনির্দেশনা বিস্তারিতভাবে নথিভুক্ত করা হয়েছিল। প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেও দ্বিতীয়টি বিমানের কাছাকাছি বিস্ফোরণ ঘটায়। তবু বিমানটি তৎক্ষণাৎ ভূপাতিত হয়নি।

গণমাধ্যম আরও জানিয়েছে, তারা তিনটি ভয়েস মেসেজ বিশ্লেষণ করেছে, যেখানে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার। রুশ ভাষার এক কণ্ঠ প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার পর লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার কথা বলছে এবং সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের নির্দেশ দিচ্ছে।

ট্র্যাজেডির দিন আজারবাইজানি সরকারি সূত্র ইউরোনিউজকে জানায়, রাশিয়ান ভূখণ্ড থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশে বিমানের পাশে বিস্ফোরণ ঘটায়, যার ফলে সেটির নিয়ন্ত্রণ অক্ষম হয়ে পড়ে।

পাইলটরা জরুরি অবতরণের আবেদন করলেও রাশিয়ার কোনো বিমানবন্দরে নামতে দেয়া হয়নি। তাদের কাস্পিয়ান সাগর অতিক্রম করে কাজাখস্তানের আকতাউয়ে যেতে বাধ্য করা হয়। সেখানেই অবতরণের চেষ্টা চলাকালে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়, প্রাণ হারান ৩৮ জন, আহত হন ২৯ জন।

ইউরোনিউজ স্বাধীনভাবে আজারবাইজানের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..