1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
স্বামীর পদবি ব্যবহারে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি - Janatar Jagoron

স্বামীর পদবি ব্যবহারে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ২৭ বার পঠিত
স্বামীর পদবি ইসলাম

বিয়ের পর অনেক নারী নিজের নামের সঙ্গে স্বামীর নাম বা পদবি যুক্ত করেন। তবে ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে এ বিষয়ে কী বিধান রয়েছে, তা নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রশ্ন ওঠে।

এ ধরনের একটি প্রশ্নের জবাবে রাজধানীর দারুর রাশাদ (মিরপুর) মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস শায়খ উমায়ের কোব্বাদী জনপ্রিয় ইসলামিক অ্যাপ মুসলিম বাংলা-এ নিজের মতামত তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, বিয়ের পর নিজের নামের সঙ্গে স্বামীর নাম বা পদবি যুক্ত করে সেটিকে ব্যক্তিগত পরিচয়ের অংশ বানানো মূলত পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অনুসরণ। ইসলামের দৃষ্টিতে এ ধরনের পরিচয় গ্রহণ সমর্থিত নয় এবং তা নাজায়েজ।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন-এ নির্দেশ দিয়েছেন, মানুষকে তাদের পিতৃপরিচয় অনুযায়ী সম্বোধন করতে। তিনি সুরা আহজাবের ৫ নম্বর আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “তাদেরকে তাদের পিতৃ-পরিচয়ে ডাকো, আল্লাহর কাছে এটাই অধিক ইনসাফপূর্ণ।”

শায়খ উমায়ের কোব্বাদী আরও বলেন, উল্লিখিত আয়াতে মানুষের পিতার দেওয়া পরিচয় অক্ষুণ্ন রাখার বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। তাই বিয়ের কারণে নিজের পরিচয় পরিবর্তন করে স্বামীর নামকে ব্যক্তিগত পরিচয়ের অংশ বানানো ইসলামি বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এ ছাড়া তিনি সহিহ মুসলিম-এর একটি হাদিসের উদ্ধৃতি উল্লেখ করেন। সেখানে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজের বাবা ছাড়া অন্যের পরিচয়ে পরিচয় দেয় অথবা কোনো দাস তার প্রকৃত মুনিব ছাড়া অন্য কাউকে মুনিব হিসেবে গ্রহণ করে, তার ওপর আল্লাহ, ফেরেশতা ও সমগ্র মানবজাতির লা’নত রয়েছে। কেয়ামতের দিন আল্লাহ তার কোনো ফরজ বা নফল ইবাদত কবুল করবেন না।” (মুসলিম: ১৩৭০)

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..