1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
কুমারখালীতে দুই এএসআই হত্যা: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন

কুমারখালীতে দুই এএসআই হত্যা: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫
  • ১৯৬ বার পঠিত
কুমারখালীতে দুই এএসআই হত্যা

কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

পদ্মায় নৃশংস হামলা: পুলিশের দুই এএসআই হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পুলিশ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ইয়ারুল শেখ (৪০) শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার! সোমবার দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে। ইয়ারুল উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বেড় কালোয়া গ্রামের মৃত বদর উদ্দিন শেখের ছেলে।

কুমারখালী থানার ওসি মো. সোলাইমান শেখ জানান, ইয়ারুলের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলা ও হত্যার অভিযোগ রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে ধরা হয়। জানা গেছে, নাশকতাসহ তাঁর বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা রয়েছে।

থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ অক্টোবর ভোরে পুলিশের একটি দল আসামি ধরতে গিয়ে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়। পদ্মার মাঝেই দুর্বৃত্তদের হামলায় দুই এএসআই—সদরুল আলম ও মুকুল হোসেন—নৌকা থেকে পড়ে নিখোঁজ হন। পরদিন সদরুলের লাশ ঘটনাস্থল থেকে দুই কিলোমিটার দূরে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। এক দিন পর পাবনার সুজানগরের নাজিরগঞ্জ এলাকায় পদ্মা থেকে উদ্ধার করা হয় মুকুল হোসেনের লাশ।

পুলিশ হত্যা মামলায় কুমারখালী থানার এসআই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ইয়ারুলসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। অন্যদিকে, অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে থাকা কয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছানোয়ার হোসেন সেলিম আরও ৩৭ জনকে আসামি করে পৃথক মামলা করেন। দুই মামলাতেই ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

পদ্মার বুকে ঘটে যাওয়া এই ভয়াল হত্যাকাণ্ড নিয়ে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি নৌ পুলিশের তদন্তাধীন, আর গ্রেপ্তার হওয়া ইয়ারুলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..