বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্টাপ রিপোটার
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ৩ নং দাইপুখুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব, আবুল কালাম আজাদ এর নামে ভূমি নামজারি করতে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী, হাবিবুর রহমান বলেন, বিগত এক মাস আগে আমি ৬৬ শতাংশ জমি নাম জারি করার জন্য, ৩ নং দাইপুখুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যায় এবং আমার সেটেলমেন্ট পেপার জমা দিই। পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব, আবুল কালাম আজাদ আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন, আমি টাকা দিতে অপরজ্ঞতা স্বীকার করে আমার সেটেলমেন্টস পেপারস ভূমি অফিসে রেখে চলে আসি। পরবর্তীতে উনার অফিসে অনেক বার গিয়েছি কিন্তু সে টাকা ৩০ হাজার লাগবেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। আমি রোজ বুধবার বেলা ১১ঃ৩০ মিনিটে আমার সেটেলমেন্টস পেপার ভূমি অফিসে রাখা ছিল তাই পেপারসটি আনতে এসেছিলাম এবং পেপারস ফেরত নিয়ে গেলাম।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে এই অভিযোগ ও অস্বীকার করা কালীন সময়, আরেকজন ভুক্তভোগী উপস্থিত হন।
ভুক্তভোগী, জিয়ারুল ইসলাম বলেন, আমি ১৮/০৬/২০২৫ ইং তারিখে হোল্ডিং ১১০২ যাহার খতিয়ান নং ২৫-১১১৪ মজা চক শ্রীরামপুর ৭৩ শতাংশ জমির খাজনা পরিশোধ করি। আমার পরিশোধিত খাজনা ভলিউম বইয়ে না তুলে আমাকে পুনরায় খাজনা দেওয়ার জন্য তাগাদা করেন।
ভুমি অফিসের নায়েব কে জিজ্ঞাসা করা হয়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কম্পিউটার অপারেটর কোন পদ আছে কি না, উত্তরে ভূমি অফিসের নায়েব, আবুল কালাম আজাদ বলেন নেই, তবে আমি শিবগঞ্জ এসি ল্যান্ড স্যারের নির্দেশে রেখেছি।
শিবগঞ্জ উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা তৌফিক আজিজ বলেন ভূমি নামজারি করতে সরকারি খরচ মাত্র ১১৭০ টাকা দিতে হয়, আর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কম্পিউটার অপারেটর রাখার জন্য কোন নির্দেশনা দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন সময় রাতে অফিসের কাজকর্ম করতে দেখা যায় পাশাপাশি স্থানীয়, দালালদের আনাগোনা দেখা যায়।
স্থানীয় জনতা আরও বলেন, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব আবুল কালাম আজাদ যোগদানের পর থেকেই এই অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতি দিন দিন বেড়েই চলেছে।