1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রিজার্ভ বেড়ে ১৯ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে - Janatar Jagoron

রিজার্ভ বেড়ে ১৯ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে

  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৬৪ বার পঠিত
রিজার্ভ বেড়ে ১৯ বিলিয়ন
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ১৯ বিলিয়ন ডলার বা এক হাজার ৯০০ কোটি ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। আকুর বিল পরিশোধের কারণে কিছুটা রিজার্ভ কমলেও রেমিট্যান্স এবং রপ্তানি আয়ের ওপর নির্ভর করে আবারও রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এর হিসাব অনুযায়ী, রিজার্ভ এখন ১৯.২০ বিলিয়ন হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব মতে রিজার্ভ রয়েছে ২৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার।

বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়ার পর ডিসেম্বর মাসের মধ্যে রিজার্ভের পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ১১ নভেম্বর, এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মাধ্যমে সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসের আমদানি পণ্যের বিল বাবদ ১.৫০ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ১৮.৪৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছিল (বিপিএম৬)। তবে গত এক মাসে বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয় বৃদ্ধি পেয়ে আবারও ১৯ বিলিয়ন ডলারের সীমা ছাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক তিনটি ধরনের রিজার্ভ হিসাব রাখে। প্রথমটি হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ মোট রিজার্ভ। এতে রয়েছে তৈরি পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তের ঋণসহ বেশ কয়েকটি তহবিল। দ্বিতীয়টি হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী, অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত তহবিল বা ঋণের অর্থ বাদ দিয়ে একটি নির্দিষ্ট তহবিল। তৃতীয়টি হলো ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ, যা বর্তমানে ১৪ বিলিয়ন ডলার।

সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকা উচিত। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে, বাংলাদেশ এখন শেষ প্রান্তে রয়েছে। পূর্ববর্তী সরকারের সময়, দুবার ১৯ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছিল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। তখন বৈদেশিক ঋণ এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার ক্রয়ের মাধ্যমে রিজার্ভ পুনরুদ্ধার করা হয়। বর্তমান সরকারের সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির কাজ বন্ধ রয়েছে, পাশাপাশি বিভিন্ন উৎস থেকে ডলার প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে ক্রমাগত বেড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। বিশ্বব্যাংক থেকে ১ বিলিয়ন ডলার যোগ হলে, এ মাসেই রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে।

রিজার্ভের ওঠানামা বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হোসনে আরা শিখা বলেন, ‘রিজার্ভ একটি চলমান বিষয়। এটি একবার কমবে, আবার বাড়বে। তবে বর্তমানে প্রবাস আয়ের প্রবাহ ইতিবাচক এবং রপ্তানি আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিগগিরই ২০ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ অর্জন নিয়ে আমরা আশাবাদী।’

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..