রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
দেখতে স্মার্ট ও ট্রেন্ডি লাগতে চাইলে বদলান স্টাইলের ধারা এখনই
অনলাইন ডেস্ক
সময় বদলাচ্ছে, আর বদলে যাচ্ছে ফ্যাশনের সংজ্ঞাও। আগের মতো শুধু দামি পোশাক নয়, এখন স্টাইল মানে হলো ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলা সঠিক মেলবন্ধনে। আর আপনি যদি নিজেকে একটু আলাদা ও স্মার্টভাবে উপস্থাপন করতে চান, তাহলে জানতে হবে কোন স্টাইল আপনাকে সবচেয়ে ভালো মানায়।
প্রথমেই নিজের শরীরের গঠন, স্কিনটোন ও ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী কোন ধরনের পোশাক আপনার সঙ্গে যায় তা নির্ধারণ করা জরুরি। হঠাৎ কাউকে দেখে অনুকরণ না করে আপনার নিজস্বতা বজায় রেখে ফ্যাশন করুন।
সাদামাটা জিনসের সঙ্গে একটি উজ্জ্বল রঙের শার্ট বা কুর্তি, কিংবা প্লেইন টি-শার্টের উপর ডেনিম জ্যাকেট—স্টাইল মানেই নতুন কিছু ট্রাই করা। জামা কাপড়কে অন্যভাবে উপস্থাপন করলেই স্টাইলিশ লাগা যায়।
একটি সাধারণ পোশাকও আকর্ষণীয় করে তোলে সঠিক অ্যাকসেসরিজ। ছেলেদের জন্য একটি ক্লাসি ঘড়ি বা সানগ্লাস যেমন ইনস্ট্যান্ট স্মার্টনেস যোগ করে, তেমনি মেয়েদের জন্য হুপ ইয়াররিং, মিনিমাল নেকপিস বা স্কার্ফ দিতে পারে এলিগেন্সের ছোঁয়া।
স্টাইলের অন্যতম অংশ হলো জুতা। কস্টিউম পারফেক্ট হলেও জুতা যদি অপ্রাসঙ্গিক হয়, তাহলে পুরো লুকটাই নষ্ট হয়ে যায়। ছেলেদের জন্য স্নিকার বা লোফার, আর মেয়েদের জন্য ব্যালে বা ব্লক হিল—সব সময় মানিয়ে নিতে হবে।
কোনো ট্রেন্ডি হেয়ারকাট বা ন্যাচারাল ওয়েভ আপনার চেহারাকে দেবে অন্যরকম লুক। ত্বক পরিচর্যা, দাড়ি/চুল ট্রিমিং ইত্যাদি নিয়মিত করলে স্বাভাবিকভাবেই আপনি লাগবেন ফ্রেশ এবং স্মার্ট।
গ্রীষ্মে হালকা রঙ যেমন ফ্লোরাল প্রিন্ট, প্যাস্টেল শেড—আর শীতে ডার্ক বা রিচ কালার যেমন মেরুন, নেভি ব্লু ফ্যাশনে এনে দেয় ভার্সেটাইল ফ্লেভার। তাই আবহাওয়ার সঙ্গে মিলিয়ে রঙ বেছে নিন।
যা ভালো লাগছে, তাই কিনে ফেলাই স্টাইল নয়। বরং বাজেটের মধ্যে থেকে কীভাবে বেস্ট কম্বিনেশন করা যায়—সেটাই স্মার্ট ফ্যাশন। লোকাল দোকান থেকেও আপনি পেয়ে যেতে পারেন ট্রেন্ডি জিনিসপত্র।
অনেকেই ভাবেন ট্রেন্ড মানেই যা সেলিব্রিটি পরে। আসলে ট্রেন্ড তৈরি হয় যখন আপনি কিছু ইউনিক করেন। সুতরাং এক্সপেরিমেন্ট করুন, নিজের সাজে ভিন্নতা আনুন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপনি যা পরেছেন, সেটা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী থাকুন। আপনি যদি নিজেকে ভালোভাবে উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলেই সেটাই আপনার সবচেয়ে বড় স্টাইল।