সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
নতুন শাড়ি বা সালোয়ারে চুড়ি না পরলে সাজই অসম্পূর্ণ লাগে!
অনলাইন ডেস্ক
নতুন শাড়ি বা সালোয়ারে চুড়ি না পরলে সাজই অসম্পূর্ণ লাগে! নানা রঙে, নানা ঢঙে, নানা উপাদানে তৈরি চুড়ির কদর কখনো কমেনি। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে পরা চুড়ি এখন যেমন ফ্যাশনের অংশ, তেমনি এটি নারীর ব্যক্তিত্ব ও রুচিরও পরিচয়।
বর্তমানে ফ্যাশনে রয়েছে বোহেমিয়ান লুকের জোড়ালো উপস্থিতি, আর এই ধারা মেনেই বাজারে এসেছে কাঠ, কাপড়, পুঁতি, রেজিন আর অক্সিডাইজড ধাতুর চুড়ির বাহার। ক্যাজুয়াল বা পার্টি লুক—দুই ক্ষেত্রেই মানিয়ে যাচ্ছে এই চুড়িগুলো।
চুড়ির রঙে রঙিন হাত!
পোশাকের সঙ্গে রঙ মিলিয়ে চুড়ি পরার ট্রেন্ড তো বরাবরের। তবে এখন অনেকেই বেছে নিচ্ছেন কনট্রাস্ট কালারের চুড়ি, যা পুরো লুকে যোগ করছে এক ধরনের স্টাইল স্টেটমেন্ট। কেউ কেউ আবার এক হাত ভরে পরছেন পুঁতির চুড়ি, অন্য হাত সাজাচ্ছেন ধাতব বালা দিয়ে।
উৎসব মানেই শাড়ি, আর শাড়ি মানেই চুড়ি!
বিয়ে, ঈদ কিংবা পূজা—এইসব উৎসবের সাজের অন্যতম অংশ চুড়ি। শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে কাচের চুড়ির খচখচ শব্দ যেন বাড়িয়ে দেয় উৎসবের উন্মাদনা। অনেকেই এখন ‘মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ’ করতে পছন্দ করেন—কাচের চুড়ির সঙ্গে ধাতব বালা কিংবা মেটালের ব্রেসলেটের কম্বিনেশন। এতে দেখা যায় ট্র্যাডিশন আর ট্রেন্ডের দারুণ এক মেলবন্ধন।
স্টাইল আর স্বাচ্ছন্দ্য একসঙ্গে চাই?
তাহলে বেছে নিতে পারেন কাপড় বা কাঠের তৈরি হালকা চুড়ি। এগুলো যেমন হাতে আরামদায়ক, তেমনি ট্রেন্ডিও। অফিস বা ভার্সিটির ক্যাজুয়াল লুকে এগুলো দারুণ মানিয়ে যায়। আবার যারা একটু সাহসী ফ্যাশন করতে পছন্দ করেন, তাঁদের পছন্দের তালিকায় থাকে চওড়া রেজিন বা অক্সিডাইজড ব্রেসলেট।
চুড়িতে গল্প আছে!
প্রতিটি চুড়ির পেছনে একটা করে গল্প থাকে—কখনো সেটা মায়ের দেওয়া প্রথম চুড়ি, কখনো প্রেমিকের উপহার, আবার কখনো নিজের জন্য নিজের কেনা এক রঙিন স্বপ্ন। আর তাই চুড়ি শুধু গয়না নয়, এটি নারীর আবেগ, স্মৃতি আর আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রকাশ।
আজকালকার ফ্যাশন যতই আধুনিক হোক না কেন, একজোড়া চুড়ির টুংটাং শব্দে নারীর ঐতিহ্য আর সৌন্দর্য আজও অনন্যভাবে ধরা দেয়।