1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
১২ ফেব্রুয়ারি: সুষ্ঠু নির্বাচনের নতুন মডেল গড়ল বাংলাদেশ - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

১২ ফেব্রুয়ারি: সুষ্ঠু নির্বাচনের নতুন মডেল গড়ল বাংলাদেশ

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫২ বার পঠিত
সুষ্ঠু নির্বাচন

বাংলাদেশে ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ’ ভোটের দৃষ্টান্ত হিসেবে জায়গা করে নিল ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশের পাশাপাশি ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে ইতিহাসসেরা নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, অনেকের মতে তা পূর্ণতা পেয়েছে। সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিনটি নাগরিকদের কাছে স্মরণীয় এক অধ্যায়ে পরিণত হয়। গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে ড. ইউনূস মন্তব্য করেন, এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন। ভোটার উপস্থিতি ছিল প্রায় ৬১ শতাংশ, যা ১৯৯১ সালের ৫৫ শতাংশ অংশগ্রহণের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যায়।

এই নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী তাদের ইতিহাসে ৮০টিরও বেশি আসনে জয়লাভ করে সংসদে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

বিজয়ের পেছনে কৌশলগত নেতৃত্ব দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার প্রচারণার মূল বার্তা ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ এবং ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, প্রবাসী কার্ডসহ নানা পরিকল্পনা ভোটারদের আকৃষ্ট করেছে। রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তিনি নিজেকে দৃঢ় নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।

নিজের প্রথম দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উভয়টিতেই জয় পেয়েছেন তিনি। বগুড়ায় দলের সাফল্যের পাশাপাশি বৃহত্তর সিলেটেও চমক দেখিয়েছে বিএনপি।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যেও এ নির্বাচন ঘিরে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। কমনওয়েলথ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সার্ক, যুক্তরাষ্ট্রের আইআরআই, চীন ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় পাঁচ শতাধিক পর্যবেক্ষক ভোট প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন। প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় তারা নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও ইতিবাচক অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেন।

দীর্ঘ সময় পর ব্যাপক ভোটার অংশগ্রহণ এ নির্বাচনের বড় বৈশিষ্ট্য। তরুণ ও নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোটের আগে নির্বাচনি প্রচারে বিভিন্ন দলের নেতারা দেশব্যাপী সভা-সমাবেশ করেন। ভোটের দিন কেন্দ্রগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়, যা অনেকের কাছে জাতীয় উৎসবের আবহ তৈরি করে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও নির্বাচনকে গুরুত্ব দেয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে একে গণতন্ত্রে ফেরার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। তরুণ ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ ও ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা একে মানবাধিকারভিত্তিক সমাজ গঠনের সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় জীবনে এক ঐতিহাসিক দিন হয়ে থাকবে। মানুষের ভোটের প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধার হয়েছে। আন্দোলন ও আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতায় এ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে। তার মতে, সংযত ও ইতিবাচক প্রচারণা ভোটারদের আস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..