1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
আকাশ ভাঙা আক্ষেপ – মাইলস্টোনের বিভীষিকা - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন মশার কয়েল জ্বালাতে বিস্ফোরণে দগ্ধ পোশাকশ্রমিক দম্পতি

আকাশ ভাঙা আক্ষেপ – মাইলস্টোনের বিভীষিকা

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫
  • ২২১ বার পঠিত
আকাশ ভাঙা আক্ষেপ

মোশারফ হোসেন, প্রকাশক, জনতার জাগরণ

২১ জুলাই ২০২৫। একদিন, যা শুধু ক্যালেন্ডারে লেখা থাকবে না—থাকবে হৃদয়ের গভীরে পোড়া দাগ হয়ে। রাজধানী ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে ঘটে যাওয়া সেই মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনা যেন আমাদের আকাশেই আগুন জ্বালিয়ে দিলো। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান প্রশিক্ষণ চলাকালীন বিধ্বস্ত হয়ে যখন কলেজ চত্বরে পড়ে, তখন বইয়ের পাতা, ইউনিফর্ম, স্বপ্ন আর জীবন—সব কিছুই আগুনে ভস্ম হয়ে গেল।

যেখানে তরুণ মন নিয়ে শিক্ষার্থীরা বসেছিল ক্লাসে, যেখানে কেউ ক্যান্টিনে হয়তো বন্ধুর অপেক্ষায় ছিল, যেখানে কেউ হয়তো জীবনের প্রথম কবিতাটা লিখছিল, সেখানে হঠাৎ আকাশ থেকে নেমে এলো আগুন। মুহূর্তেই সবকিছু ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। চারদিকে শুধু কান্না, আর্তনাদ আর পোড়া শরীরের গন্ধ। এমন দৃশ্য শুধু সিনেমায় দেখা যায়, কিন্তু আজ আমরা দেখলাম বাস্তবে।

প্রাথমিক তথ্যমতে, এই দুর্ঘটনায় বহু শিক্ষার্থী গুরুতর দগ্ধ হয়েছে, অনেকে প্রাণ হারিয়েছে। যারা বেঁচে আছে, তাদের চোখে এখনও জ্বলছে সেই আগুনের প্রতিচ্ছবি। ভাবুন তো, এক কিশোর মেয়ে, যে সকালে মায়ের আঁচলে মুখ লুকিয়ে কলেজে গিয়েছিল, এখন হাসপাতালের বিছানায় চুপ করে শুয়ে আছে, শরীরের চামড়া ঝরে যাচ্ছে—আর আমরা বলছি, “এটা একটা দুর্ঘটনা”?

না, আমরা কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে আসিনি। আমরা প্রশ্ন করতে এসেছি। এই প্রশিক্ষণ ফ্লাইট কি এমন জনবহুল এলাকায় চলতে পারতো? কেন শিক্ষাঙ্গনের ওপর দিয়ে যুদ্ধবিমান উড়ছিল? একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটে যায়, আর আমরা কেবল শোক সভা আর ফুল দিয়ে দায় সারি। এই দায় এড়ানো কি একদিন আমাদেরই ঘাড়ে এসে চেপে বসবে না?

আমরা হারিয়েছি শুধু কিছু ছাত্রছাত্রী নয়—হারিয়েছি সম্ভাবনা, স্বপ্ন, আগামী প্রজন্মের আলো। এই মৃত্যু শুধুই কোনো সংখ্যা নয়। এই ক্ষত শুধুই আগুনের দগদগে ছাপ নয়—এ এক জাতিগত ব্যর্থতা, এক বিবেকের পরাজয়।

আমরা চাই—এবার যেন সত্যিকার তদন্ত হয়। যেন দায়ীদের শনাক্ত করা হয়। যেন শুধু “সাবধানতা অবলম্বন করা হবে” বলে দায় এড়িয়ে না যাওয়া হয়। যেন এই শোক একদিন পরিবর্তনের অঙ্গীকার হয়ে দাঁড়ায়।

এই ঘটনায় আকাশ কেঁদেছে, মাটি শিউরে উঠেছে, মানুষ স্তব্ধ হয়ে গেছে। আমাদের শুধু প্রশ্ন নয়—আছে এক আকাশভরা আক্ষেপ।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..