শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এই হামলায় গাজায় থাকা ইসরায়েলি বন্দিদের মধ্যে অনেকে প্রাণ হারিয়েছেন। এ বিষয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) আলজাজিরার একটি প্রতিবেদনে এ খবর উঠে এসেছে, যা ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের বরাত দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের একজন কর্মকর্তার বরাতে জানা যায়, হামাস নিশ্চিত করেছে যে গাজায় বেশ কিছু বন্দি এখনও জীবিত রয়েছেন, তবে তারা ঝুঁকির মধ্যে আছেন। ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় আলোচনার সময় এই তথ্য দিয়েছে সংগঠনটি।
ওই কর্মকর্তা আরও জানান, বেশিরভাগ বন্দি কোথায় আছেন তা ইসরায়েলের জানা রয়েছে। তবে হামাস জীবিত বন্দিদের সঠিক তালিকা দিয়েছে কিনা, সে বিষয়ে মন্তব্য করতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামাস এবং ইসরায়েলের মধ্যকার সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে গাজায় আটক শিশু, নারী সেনা সদস্য, প্রবীণ ও অসুস্থ বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হবে। এর বিপরীতে ইসরায়েল ২৫০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম ধাপে সামরিক বাহিনীতে নিযুক্ত না থাকা নারী বন্দিদেরও মুক্তির অন্তর্ভুক্ত করা হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তাদের পাশাপাশি প্রবীণ ও অসুস্থ বন্দিদেরও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
ইসরায়েল প্রথম ধাপে ৩৪ জন বন্দির মুক্তি চেয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এদের মধ্যে ১১ জন সেনা সদস্য রয়েছেন। বিশেষ বিবেচনায় তাদের মুক্তি দিতে হামাস সম্মতি জানিয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গাজায় ১০১ জন বন্দি ছিলেন। তবে হামাস ডিসেম্বরের শুরুতে জানায়, এদের মধ্যে অন্তত ৩৩ জন বন্দি ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।