1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
তিন বিজ্ঞানীর নোবেল জয়: রসায়নে নতুন অধ্যায় - Janatar Jagoron

তিন বিজ্ঞানীর নোবেল জয়: রসায়নে নতুন অধ্যায়

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৫৮ বার পঠিত
তিন বিজ্ঞানীর নোবেল জয়

এ বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন তিন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী। তাঁরা হলেন—ডেভিড বেকার, ডেমিস হাসাবিস এবং জন জাম্পার।

বুধবার (৯ অক্টোবর) সুইডেনের রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টা ৪৫ মিনিটে রসায়নে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।

তাদের মধ্যে ডেভিড বেকার হলেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, আর ডেমিস হাসাবিস এবং জন জাম্পার যুক্তরাজ্যের নাগরিক।

রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি জানিয়েছে, ‘কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইন’ প্রকল্পের জন্য ডেভিড বেকারকে, এবং ‘প্রোটিন স্ট্রাকচার প্রেডিকশন’ বিষয়ক কাজের জন্য ডেমিস হাসাবিস ও জন জাম্পারকে যৌথভাবে এবছরের নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্রোটিনকে গুরুত্ব দিয়ে এবছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নোবেল বিজয়ী ডেভিড বেকার সম্পূর্ণ নতুন ধরনের প্রোটিন তৈরি করেছেন, যা ছিল অনেকটা অসম্ভব। অন্যদিকে, ডেমিস হাসাবিস এবং জন জাম্পার এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরি করেছেন যা ৫০ বছরের পুরোনো ‘প্রোটিনের জটিল কাঠামো অনুমান’ করার সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, এবারের নোবেল বিজয়ীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও গণনা পদ্ধতির মাধ্যমে প্রোটিনের জটিলতাগুলো উন্মোচন করেছেন, যা সব রসায়নবিদের জন্য একটি স্বপ্ন ছিল। এবং এই স্বপ্ন এখন সত্যি হওয়ার পথে।

১৯০১ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে বিশ্বের সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার। এ পুরস্কারের নামকরণ করা হয়েছে সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের নামানুসারে। ঊনবিংশ শতাব্দীর এই বিজ্ঞানী শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিনামাইট আবিষ্কার করে বিপুল পরিমাণ অর্থের অধিকারী হন। তিনি উইল করে গিয়েছিলেন যে তাঁর যাবতীয় অর্থ থেকে প্রতি বছর পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, শান্তি ও সাহিত্য— এই ৫টি খাতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য পুরস্কার প্রদান করা হবে। এই পুরস্কারের নাম রাখা হবে তাঁর নামে। ১৯৬৯ সাল থেকে এই ৫ বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অর্থনীতি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..