1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রাশিয়ার ৪ লাখ সেনার প্রাণহানি: ইউক্রেনের দাবিতে বিশ্ব স্তব্ধ - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

রাশিয়ার ৪ লাখ সেনার প্রাণহানি: ইউক্রেনের দাবিতে বিশ্ব স্তব্ধ

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৪৫ বার পঠিত
রাশিয়ার ৪ লাখ সেনার প্রাণহানি: ইউক্রেনের দাবি
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

প্রায় তিন বছর ধরে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেই বিশাল অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিয়েছে রাশিয়া। তবে এর জন্য মাশুল দিতে হয়েছে পুতিনকে। দীর্ঘ এ যুদ্ধে ইউক্রেনের পাশাপাশি রুশ সেনারাও মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এ নিয়ে সম্প্রতি নতুন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে কিয়েভ।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনের কমান্ডার-ইন-চিফ অলেক্সান্ডার সিরস্কি সোমবার জানান, শুধু ২০২৪ সালেই যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়া ৪ লাখ ২৭ হাজার সেনা হারিয়েছে।

এর আগে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছিল, গত বছরে রাশিয়ার ৪ লাখ ৩০ হাজার সেনা আহত বা নিহত হয়েছে। সংখ্যাগতভাবে এটি রাশিয়ার ৩৬টি মোটরচালিত ব্রিগেডের সমান। কিয়েভ দাবি করছে, ২০২৪ সালে রাশিয়ার সেনা হতাহতের সংখ্যা আগের দুই বছরের মোট সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে।

ইউক্রেনের মতে, প্রতিদিন গড়ে ১১৮০ রুশ সেনা হতাহত হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বছরের শেষের দিকে রুশ সেনাদের ক্ষয়ক্ষতির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। কারণ এই সময় রাশিয়া তাদের আক্রমণ জোরদার করেছিল।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে রাশিয়ার সর্বোচ্চ মাসিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যেখানে যথাক্রমে ৪৫,৭২০ ও ৪৮,৬৭০ সেনা হতাহত হয়েছে। এই সময় দোনেৎস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার আক্রমণ তীব্রতর হয়েছিল।

বিবিসির আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্বাঞ্চলে ইউক্রেনীয় সেনারা এখনো রুশ অগ্রগতি থামিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। তবে কুরাখোভ অঞ্চলে রুশ সেনাদের অবরোধে আটকে আছে ইউক্রেনীয় বাহিনীর অনেক সদস্য। টানা যুদ্ধে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন সৈন্যরা।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর ৩১ বছর বয়সী এক কমান্ডার জানান, যুদ্ধের শুরুতে তিনি ভেবেছিলেন এটি তিন বছরের মধ্যে শেষ হবে। কিন্তু এখন মনে করছেন যুদ্ধ আরও দশ বছর চলতে পারে।

একজন সৈনিক জানান, আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হতে পারে, তবে এক-দুই বছরের মধ্যেই তা আবার ফিরে আসবে। অন্যদিকে, আরেক সেনা বলেন, তিনি ইউক্রেন ছাড়া পৃথিবীতে বেঁচে থাকার চেয়ে জয়ের জন্য মৃত্যুবরণ করতেই প্রস্তুত।

ইউক্রেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ডেনিপ্রোতে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রয়েছে। সেখানকার বাসিন্দারা বলছেন, ইউক্রেনের এখনই যুদ্ধ থামানো উচিত এবং আলোচনার পথে হাঁটা উচিত। বেশ কয়েকটি জরিপেও দেখা গেছে, যুদ্ধের পরিবর্তে আলোচনার পক্ষে জনমত বাড়ছে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে এই ধারণা বেশি।

ডেনিস নামে এক নারী জানান, ইউক্রেনের প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা সরকারিভাবে প্রকাশিত সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি। তার মতে, যুদ্ধে ইতোমধ্যে ৪ লাখের বেশি ইউক্রেনীয় নিহত বা আহত হয়েছে। তিনি বলেন, যুদ্ধের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে না। “আমরা যুদ্ধবিরতি চাই। এত বছর ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়,” মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি উভয়পক্ষ আলোচনায় বসে, তবে ইউক্রেনের নারীদের জন্য তা সবচেয়ে বড় ত্যাগের কারণ হতে পারে। যুদ্ধের কারণে বাবা, ভাই, স্বামী ও সন্তানদের হারিয়েছেন এমন নারীরা মনে করেন, শান্তির জন্য ইউক্রেনকে হয়তো তার কিছু ভূমি রাশিয়ার হাতে ছেড়ে দিতে হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..