1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
২ লাখ কোটি টাকা লুটের অভিযোগ গভর্নরের - Janatar Jagoron

হাসিনার দোসরদের বিরুদ্ধে ২ লাখ কোটি টাকা লুটের অভিযোগ গভর্নরের!

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৪৯ বার পঠিত
লুটের অভিযোগ

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান মনসুর অভিযোগ করেছেন, গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তার মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগী ধনকুবেররা ব্যাংক খাত থেকে ১৭০০ কোটি মার্কিন ডলার চুরি করেছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২ লাখ কোটি টাকারও অধিক।

সোমবার (২৮ অক্টোবর) ব্রিটিশ সংবাদপত্র ফিনান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আহসান মনসুর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে যুক্ত ধনকুবেরদের বিরুদ্ধে তার শাসনামলে ব্যাংকিং খাত থেকে ১৭ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ করেছেন, যা দেশটির শক্তিশালী সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সহযোগিতায় ঘটেছে।

ফিনান্সিয়াল টাইমসে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই) প্রধান ব্যাংকগুলোকে জোরপূর্বক দখল করতে সহায়তা করেছে।

তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো দখলে নেওয়ার পর আনুমানিক ২ ট্রিলিয়ন টাকা বা ১ হাজার ৬৭০ কোটি মার্কিন ডলার লুট করা হয়েছে। ব্যাংক দখলের পর নতুন শেয়ারহোল্ডারদের ঋণ দেওয়া এবং আমদানি চালান স্ফীত করার মতো পদ্ধতি ব্যবহার করে এই অর্থ বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হয়েছে। এটি যেকোন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে একটি বিশাল ব্যাংক লুটের ঘটনা, যা বিশ্বের অন্য কোথাও ঘটেনি এবং এর পেছনে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ছিল; গোয়েন্দারা (ব্যাংকের সাবেক সিইওদের) মাথায় বন্দুক না ধরলে এটি সম্ভব হত না।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর বলেন, শিল্পগোষ্ঠী এস আলমের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং তার সহযোগীরা ডিজিএফআই-এর সহায়তায় ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ব্যাংকিং সিস্টেম থেকে ন্যূনতম ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিনিয়ে নিয়েছে। তারা প্রতিদিন নিজেদেরকে ঋণ দিতো।

অবশ্য সাইফুল আলমের পক্ষে আইনি প্রতিষ্ঠান কুইন ইমানুয়েল উরকুহার্ট অ্যান্ড সুলিভান এক বিবৃতিতে গভর্নরের সকল অভিযোগ অস্বীকার করে এবং এগুলোকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে এস আলম গ্রুপ।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এস আলম গ্রুপ এবং বাংলাদেশের অন্যান্য নেতৃস্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের সমন্বিত প্রচারণা মৌলিক প্রক্রিয়ার নীতিগুলোকে যথাযথভাবে সম্মান করতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থার ক্ষতি হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে অবদান রেখেছে। গ্রুপের রেকর্ড এবং অবদানের আলোকে আমরা গভর্নরের অভিযোগগুলোকে অবাক করা ও অযৌক্তিক বলি।

ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মন্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এ ছাড়াও, ডিজিএফআই-এর সঙ্গে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত আগস্ট মাসে শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করার পর আহসান মনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত হন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..