শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
হাসপাতাল খেয়েছে এক নেতা, জনগণ চুপ কেন এখনো?
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি
ফ্যাসিস্ট আওয়ামিলীগ নিষিদ্ধ হলেও বগুড়ায় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাডঃ মকবুল হোসেন মুকুল টাকার বিনিময়ে আছেন বহাল তবিয়তে।
তিনি বিগত পলাতক হাসিনা সরকারের সময় বগুড়া ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ছিলেন। জুলাই অভ্যুত্থানে ৫ আগষ্টের পর সব পাল্টালেও উনার পদের ধরনও রিতিমতো পাল্টে ফেলেন টাকার জোড়ে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে তিনি বগুড়া ডায়াবেটিক সমিতির এডহক কমিটির আহ্বায়ক এখন।
গত ১২ ই মে স্থানীয় একটি পত্রিকায় বগুড়া ডায়াবেটিক হাসপাতালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিয়োগ বাণিজ্যেও মেতে উঠেছেন তিনি।
তার বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ উঠলেও আমলে নিতে চান না কেউ। আ’লীগ নিষিদ্ধ হলেও পুলিশ প্রশাসন তার বিষয়ে নিরব।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা মুকুল এর মেয়ের জামাই আল রাজি জুয়েল নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক, জুয়েল বিগত ১৭ বছর বিএনপি জামাত নেতাকর্মীদের মামলা দেয়ার সিংহভাগের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
বগুড়া ডায়াবেটিকস হাসপাতাল এর বিষয় নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানে কয়েকজন আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বললে তারা জানিয়েছেন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন মুকুল ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় টাকার জোড়ে বগুড়া ডায়াবেটিক সমিতির এডহক কমিটি আহ্বায়কের পদ বাগিয়েছেন তিনি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা মুকুল কে নিয়ে কথা বললে বড় দুই রাজনৈতিক দলের কিছু নেতা আওয়ামিদোসর অ্যাডভোকেট মুকুলের প্রতিবেশী তারা মনক্ষুন্ন হন। এছাড়াও তাকে পূর্ণবাসিত করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করেছেন তারা। জুলাই অভ্যুত্থানের আন্দোলনকারীরা আরো জানান নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের দোসর অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন মুকুল কে বগুড়া ডায়াবেটিক হাসপাতালের এডহক কমিটি থেকে বহিস্কার করতে হবে। তার বিরুদ্ধে জুলাই হত্যা মামলা রয়েছে আর বগুড়া ডায়াবেটিক হাসপাতালকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করতে আবারও মাঠে নামার হুশিয়ারী দেন তারা।