1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
কুয়াকাটার সাগরে বিরল ব্রাউন সার্জনফিশ, দর্শনার্থীর ভিড় - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন

কুয়াকাটার সাগরে বিরল ব্রাউন সার্জনফিশ, দর্শনার্থীর ভিড়

  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৮ বার পঠিত
ব্রাউন সার্জনফিশ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির একটি ‘ব্রাউন সার্জনফিশ’। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে মাছটি বিক্রির উদ্দেশ্যে মহিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে এটি দেখতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের ভিড় জমে যায়। কিছু এলাকায় এই মাছটি ‘ট্যাং মাছ’ নামেও পরিচিত।
গভীর সাগরে মাছ ধরার সময় হঠাৎ জেলের জালে উঠে আসে এই অদ্ভুত গড়নের মাছটি।

ওয়ার্ল্ডফিশ-এর সাবেক গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান জানান, সার্জনফিশ পরিবারের এই মাছটির শরীর পাশ থেকে চাপা ও ডিম্বাকৃতি, যা একে পানিতে দ্রুত সাঁতারে সহায়তা করে। এর গায়ের রং সাধারণত ধূসর থেকে বাদামি হয় এবং চোখ ও পাখনার আশপাশে হালকা সোনালি বা হলুদ আভা দেখা যায়।
তিনি আরও জানান, এই মাছের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো লেজের গোড়ায় থাকা অত্যন্ত ধারালো কাঁটা। এটি অনেকটা সার্জনের ব্যবহৃত ‘স্কালপেল’ বা চাকুর মতো ধারালো হওয়ায় এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘সার্জনফিশ’। আত্মরক্ষার সময় এটি এই কাঁটাকে অস্ত্রের মতো ব্যবহার করে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, এ ধরনের সার্জনফিশ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সচরাচর দেখা যায় না। তবে বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ পানিতে এদের উপস্থিতি রয়েছে। এরা মূলত প্রবালপ্রাচীর এলাকায় বসবাস করে এবং শৈবাল খেয়ে সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।

মাছটি সাধারণ খাবারের মাছ হিসেবে খুব একটা পরিচিত নয়; বরং এর রঙিন ও বিচিত্র রূপের কারণে অ্যাকোয়ারিয়ামের ‘শো-পিস’ হিসেবে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এই মাছ সাধারণত কেজি দরে নয়, বরং পিস হিসেবে বিক্রি হয়। প্রজাতিভেদে একেকটি মাছের দাম ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

মৎস্য কর্মকর্তা আরও জানান, মাছটি পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে ধরার সময় বা পরিষ্কার করার সময় লেজের সেই ধারালো কাঁটার আঘাতে জখম হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাই জেলেদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মৎস্য বন্দরে মাছটি দেখতে আসা মো. সোহেল রানা বলেন, এমন অদ্ভুত মাছ আমরা আগে কখনও দেখিনি। দেখতে একদম আলাদা, তাই আগ্রহ নিয়ে কাছ থেকে দেখতে এসেছি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..