সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ভারত নিজে একটি গণতান্ত্রিক দেশ হলেও তার চারপাশের অঞ্চলে গণতন্ত্রের প্রসার ঘটুক তা তারা চায় না। চট্টগ্রামের দিকে নজর দিলে আমরা বাংলা, বিহার ও ওড়িশা দাবি করব। চট্টগ্রাম দখল করতে এলে আমরা চুপ করে বসে থাকব না।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির তিনটি অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আগরতলা অভিমুখে লংমার্চ শুরুর আগে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন,
আমরা পিন্ডির শাসনের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি, সেটা দিল্লির হাতে তুলে দিতে রাজি নই। দিল্লির শাসকদের উদ্দেশে বলতে চাই, তারা লেডি ফেরাউনকে সমর্থন দিচ্ছেন। “জয় বাংলা” স্লোগানের বিষয়ে আইনি বিতর্ক চলমান। তবে আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো, পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা হলো বাংলা। সুতরাং “জয় বাংলা” বললে তাদের স্লোগানকেই বোঝায়। আমরা পুরো বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে চাই।
লংমার্চ শুরুর আগে সমাবেশে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী বলেন, দেশের পতাকা ও ভূমি রক্ষার জন্য নেতাকর্মীরা সদা প্রস্তুত থাকবে। ভারতের মাটি থেকে ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না। বাংলাদেশের মাটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর প্রবেশের সুযোগ নেই।
যুবদলের সভাপতি আবদুল মনায়েম মুন্না বলেন,
স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমরা কোনো ধরনের আপস করব না। ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে বিএনপি বরাবরই লড়াই করেছে। এবারও রাজপথে থেকে প্রতিবাদ জানানো হবে।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন ভারতের কাছে বাংলাদেশ কার্যত জিম্মি ছিল। জুলাই বিপ্লবের পর থেকেই একের পর এক ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। কিন্তু আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলব। লড়াই ও সংগ্রাম চালিয়ে যাব। তিনি সবাইকে রাজপথে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান।
ঢাকায় ভারতের আগরতলার সহকারী হাইকমিশনে হামলা, জাতীয় পতাকা অবমাননা, ভারতীয় মিডিয়ার অপপ্রচার এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উস্কানোর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিএনপির তিনটি অঙ্গসংগঠন ঢাকা থেকে আগরতলা অভিমুখে লংমার্চের আয়োজন করেছে।