শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
অন্তর্বর্তী সরকার সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর অনুমোদন করেছে। আজ বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
তবে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের বয়স নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। অর্থাৎ, অবসরের বয়স বর্তমান যেটি আছে, সেটিই বহাল থাকবে।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বেলা সাড়ে ১১টায় তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বৈঠকটি শুরু হয়।
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তটি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যানসিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।’
উপদেষ্টা পরিষদের আলোচনার মাধ্যমে অধ্যাদেশটি নিম্নরূপে অনুমোদিত হয়েছে।
এর ব্যাখ্যা হলো: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) সকল ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। বিসিএস-এর আওতাবহির্ভূত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর হবে। স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য নিয়োগবিধি প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযোজিত হবে। প্রতিরক্ষা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়োগবিধিই বহাল থাকবে।
এছাড়া, এই অধ্যাদেশ অনুসারে, ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’-এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪’ পুনর্গঠন করবে, যার অধীনে একজন প্রার্থী বিসিএস পরীক্ষায় সর্বোচ্চ তিনবার অংশগ্রহণ করতে পারবে।’
এর আগে, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ছেলেদের জন্য ৩৫ বছর ও মেয়েদের জন্য ৩৭ বছর করার সুপারিশ করে সরকারের পর্যালোচনা কমিটি।
১৪ অক্টোবর কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী এই সুপারিশটি প্রকাশ করেন এবং সুপারিশের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করেন।