রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
গরমে ত্বক ফেটে চিরে যাচ্ছে? সতর্ক না হলে ভোগান্তি চরমে!
অনলাইন ডেস্ক
গরমকাল মানেই শুধু রোদ আর ঘাম নয়—ত্বকের জন্য যেন একেকটা নতুন যুদ্ধ! ঘামাচি, দাদ, খোসপাঁচড়া, ফুসকুড়ি কিংবা তীব্র রোদে পোড়া দাগ—সব মিলে গ্রীষ্মকাল হয়ে ওঠে ত্বকের ভয়ের নাম। অথচ একটু সচেতন থাকলেই এসব সমস্যার রাশ টেনে ধরা সম্ভব।
ঘামের রাজত্বে চুলকানির আগমন
এই সময়ে শরীরের ঘর্মগ্রন্থি অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে। তার ফলেই শুরু হয় ঘাম, দুর্গন্ধ, ঘামাচির দাপট। বিশেষ করে বগল, কোমরের ভাঁজ বা পায়ের আঙুলের মাঝে ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি হয়ে ঘামকে করে তোলে বিরক্তির কারণ।
ছত্রাকের উৎসবে ত্বকের ক্ষতি
আর্দ্রতা ও ঘাম জমা হওয়া জায়গাগুলোতে ছুলি বা দাদের মতো ছত্রাক সংক্রমণ সহজেই হয়। গোলাকার, লালচে বা বাদামি দাগের সঙ্গে তীব্র চুলকানি—চিনেই নেওয়া যায়!
বাচ্চা হোক বা বড়, খোসপাঁচড়ার হাত নেই কারো মাথায়
খোসপাঁচড়া এক ভয়ংকর ছোঁয়াচে রোগ। আঙুল, বগল, কোমর বা গোপন অঙ্গে ফুসকুড়ি আর রাতের বেলায় অস্বস্তিকর চুলকানিতে ঘুম হারাম হতে বাধ্য।
সূর্য কেবল আলো দেয় না, ত্বকও পোড়ায়
দীর্ঘ সময় রোদের নিচে থাকলে ত্বকে দেখা দিতে পারে জ্বালাপোড়া, মরা চামড়া উঠা বা সূর্য সংবেদনশীলতা। এমনকি ত্বকের ক্যানসারের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না!
গরমে পুরনো ত্বক রোগের বিস্তার
ব্রণ, একজিমা, রোসেশিয়া, খুশকি বা লুপাস—যা গরমে যেন দ্বিগুণ উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে। তৈলাক্ত ও সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এই সময়টা আরও বিপজ্জনক।
তাই করণীয় কী?
– দিনে একাধিকবার ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল
– ঢিলেঢালা, হালকা সুতি জামা
– সানস্ক্রিন, ছাতা ও সানগ্লাসে সুরক্ষা
– ঘামের ভেজা জামা তৎক্ষণাৎ পরিবর্তন
– ছোঁয়াচে রোগে আলাদা তোয়ালে, কাপড়
– ভুল চিকিৎসা নয়, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ
গরমের আগুনে ত্বক যেন জ্বলেপুড়ে না ছাই হয়ে যায়। সময় থাকতে থাকুন সতর্ক, আর ত্বক রাখুন উজ্জ্বল!