1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রাজবাড়ীর খানগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার পুড়ে ছাই - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

রাজবাড়ীর খানগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার পুড়ে ছাই

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ৯ মে, ২০২৫
  • ২২২ বার পঠিত
আগুনে ছাই ডিজিটাল সেন্টার, চেয়ারম্যান নেই দৃশ্যে

ডিজিটাল সেবা ছাই, চেয়ারম্যানের খোঁজ নেই—তাণ্ডব আগুনে!
মিজানুর রহমান, রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর খানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে শুক্রবার (৯ মে) ভোরে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ইউনিয়ন পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সেন্টার। ভোর ৫টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আগুন লাগার খবর প্রথমে স্থানীয় কিছু বাসিন্দা লক্ষ্য করেন এবং তারা দ্রুত ডিজিটাল সেন্টারের পরিচালক কাজী আবু শাহিনকে ফোন করে বিষয়টি জানান। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসে ফোন করে বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

ডিজিটাল সেন্টারে এসে তিনি দেখতে পান—আগুন তখন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে, দাউ দাউ করে জ্বলছে পুরো সেন্টার। তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত সময়ের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও এর আগেই সবকিছু ছাই হয়ে যায়। আগুনে পুড়ে যায় একটি ল্যাপটপ, একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার, রাউটার, ফটোকপি মেশিন, প্রিন্টার, গুরুত্বপূর্ণ ফাইলপত্র, আসবাবপত্র এবং বিটিসিএলের ব্রডব্যান্ড ডিভাইস ও ব্যাটারি। এইসব যন্ত্রপাতি এবং নথিপত্র ছিল ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেবাদান কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু। সবকিছু হারিয়ে সেবার সবধরনের কার্যক্রম একপ্রকার থমকে গেছে।

রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. সনাজ মিয়া জানান, তারা ভোর ৫টা ১৩ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে ৫টা ৩৪ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। রাজবাড়ী এবং কালুখালী থেকে মোট চারটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে এবং মাত্র ৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত। প্রাথমিক হিসাবে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এই ভয়াবহ ঘটনার পরেও খানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. শরিফুর রহমানের অবস্থান ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম প্রশ্ন ও সমালোচনা। স্থানীয়দের দাবি, এত বড় একটি ঘটনা ঘটে গেলেও চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে আসেননি, এমনকি ফোন করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি, কারণ তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। একজন জনপ্রতিনিধির এমন নিষ্ক্রিয়তা স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। তারা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন—একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান হয়েও অগ্নিকাণ্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি ঘটনায় তার অনুপস্থিতি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মারিয়া হক অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং ক্ষয়ক্ষতির অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, “আগুনে পরিষদের মূল্যবান কাগজপত্রসহ অনেক কিছুই পুড়ে গেছে, যা পরিষদের কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

এই অগ্নিকাণ্ড শুধুমাত্র একটি ডিজিটাল সেন্টার ধ্বংস করেনি, বরং গ্রামীণ জনগণের তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর সেবাপ্রাপ্তির সুযোগকেও ছিন্ন করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়নের মূলে থাকা এই ধরনের সেবাকেন্দ্র যখন আগুনে ছারখার হয়, তখন প্রশ্ন ওঠে—এসব প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও তদারকির ব্যবস্থা কতটা শক্তপোক্ত?

এই ঘটনায় অনেক প্রশ্ন এখনো উত্তরহীন—কি কারণে আগুন লাগল, প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ কত, এবং একজন চেয়ারম্যান এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়েও কেন অনুপস্থিত ছিলেন। এসব প্রশ্নের জবাব মিলবে কিনা, তা সময়ই বলে দেবে। তবে আপাতত খানগঞ্জ ইউনিয়নবাসীর চোখে শুধুই ধোঁয়া আর ছাই।

আপনি কি চান আমি এই ঘটনার একটি রিপোর্ট অথবা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মতো আনুষ্ঠানিক নথি তৈরি করে দিই?

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..