1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
পদ্মার ভয়াল থাবায় বিলীন হওয়ার পথে চারঘাট! - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

পদ্মার ভয়াল থাবায় বিলীন হওয়ার পথে চারঘাট!

  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫
  • ২৫৮ বার পঠিত
বিলীন

গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার চন্দনশহর ও গোপালপুর গ্রাম যেন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে! এলাকাবাসীর দুশ্চিন্তার কারণ, পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন। নদীর অপ্রতিরোধ্য আগ্রাসনে নদী রক্ষা বাঁধই এখন হুমকির মুখে। যদি বাঁধটি ভেঙে যায়, তাহলে শুধু গ্রাম নয়, কয়েকশ বিঘা কৃষিজমিও তলিয়ে যাবে পানির নিচে।

বিগত কয়েক বছরে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়, যার ফলে অসময়ে নদী ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। এখনই যদি যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে আসন্ন বর্ষায় ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে।

চারঘাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড সংলগ্ন গোপালপুর এবং চন্দনশহর এলাকার প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ নদীতীরের একশ ফুট ইতোমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে, আর নতুন করে ফাটল দেখা দিয়েছে আরও একশ ফুট এলাকাজুড়ে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই ফাটল আরও বড় হতে থাকলে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুষ্ক মৌসুমেই যদি ভাঙন এতটা ভয়াবহ হয়, তাহলে বর্ষায় কী হবে? স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করে বলেন, “বাঁধ রক্ষা না হলে আমাদের গ্রাম, জমি সব নদীর গর্ভে চলে যাবে।”

এদিকে, রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ সরকার জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব সরেজমিনে পরিদর্শন করে ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন সময়মতো ব্যবস্থা নেয় নাকি প্রকৃতির রোষে হারিয়ে যায় চন্দনশহর ও গোপালপুর!

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..