শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক ,
নদীমাতৃক বাংলাদেশে জামালপুর জেলা সারা বছরই নদীভাঙনের কবলে থাকে। যমুনা এবং ব্রহ্মপুত্রের করালগ্রাস জেলা ভেঙে দিয়েছে, এমনকি জিঞ্জিরাম ও ঝিনাই নদীও ভাঙনে পরিবর্তিত হচ্ছে। বর্ষা বা শুকনো মৌসুম—প্রকৃতি কখনও ছাড় দেয় না।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও সরিষাবাড়ী উপজেলায় নদীভাঙনে বহু বাড়িঘর, আবাদি জমি ও বাজারঘাট বিলীন হয়েছে। নদীভাঙন ঠেকাতে সরকারের উদ্যোগে ইমার্জেন্সি ডাম্পিং, এনডিআরসহ নানা প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে দীর্ঘদিন অনুমোদন দেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বর্ষা মৌসুমে শুধু নয়, শুকনো মৌসুমেও চর ওঠা নিয়ে ঝগড়া-মারামারি হয়। অনেকের ঘরবাড়ি নদীর কবলে পড়ে রাজধানীতে চলে যেতে হয়। স্থানীয় সাংবাদিক, ইউপি সদস্য ও সচেতন নাগরিকরা বারবার মানববন্ধন ও আন্দোলন করছেন স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে।
জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, তারা কাজ করছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন। তবে প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্ব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের। নদীভাঙন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে যমুনায় ২০ কিলোমিটার ও ব্রহ্মপুত্রে ১০ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন, যা আনুমানিক ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।