1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
কলেজ কমিটি নির্বাচন ঘিরে বিএনপি-জামায়াতে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

কলেজ কমিটি নির্বাচন ঘিরে বিএনপি-জামায়াতে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫
  • ১৯৬ বার পঠিত
বিএনপি-জামায়াতে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

কলেজ নির্বাচন নয়, যেন যুদ্ধের ময়দান আটঘরিয়া!

অনলাইন ডেস্ক

আটঘরিয়ার দেবোত্তর ডিগ্রি অনার্স কলেজের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাবনার রাজনীতি। মনোনয়ন ফরম তোলা নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সন্ধ্যায় কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে ছড়িয়ে পড়ে পুরো উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে। আর সেই উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও রক্তাক্ত ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায়, যার জেরে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন এবং গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দুই দলের দলীয় কার্যালয় ও একাধিক মোটরসাইকেল।

ঘটনার সূত্রপাত হয় দুপুর আড়াইটার দিকে। কলেজ কর্তৃপক্ষ অভিভাবক সদস্য নির্বাচনের জন্য তপশিল ঘোষণা করার পর বৃহস্পতিবার ছিল মনোনয়নপত্র তোলার শেষ দিন। এদিন বিএনপি সমর্থিত তিনজন অভিভাবক নির্ধারিত সময় অনুযায়ী মনোনয়নপত্র তোলেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর যখন জামায়াতে ইসলামীর সমর্থিত অভিভাবকরা একই উদ্দেশ্যে কলেজে যান, তখন কলেজের অধ্যক্ষ তাদের মনোনয়নপত্র দেননি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জামায়াতপন্থী নেতাকর্মীরা কলেজে উপস্থিত হয়ে মনোনীত প্রার্থীর জন্য ফরম দাবি করেন। কিন্তু সেখানেই তাদের সামনে আসে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়, যা দ্রুত গড়ায় ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতিতে। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে, বিএনপি কর্মীরা প্রকাশ্যে জামায়াতের লোকজনকে মারধর করেন।

ঘটনার খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জামায়াত ও তাদের অঙ্গসংগঠন, বিশেষ করে ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা আশপাশের এলাকা থেকে জড়ো হয়ে যান দেবোত্তর বাজারে। তারা সেখানে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে এবং সরাসরি হামলা চালান উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে। এ সময় ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়, বিশেষ করে অফিসে রাখা মোটরসাইকেলগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয় তারা। বাজারজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক, ব্যবসায়ীরা তড়িঘড়ি করে দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।

এর কিছুক্ষণ পর রাত সাড়ে ৭টার দিকে বিএনপির পক্ষ থেকেও পাল্টা মিছিল বের হয়। উত্তেজিত নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে বাজার প্রদক্ষিণ করে এবং পরে জামায়াতে ইসলামী কার্যালয়ে চড়াও হয়। সেখানে তারা হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং এক পর্যায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ারও ঘটনা ঘটে। পুরো এলাকা যেন মুহূর্তে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এই সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ও সহিংসতা চলতে থাকে বিকেল থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত কয়েক দফায়। উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার সময় আতঙ্কে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বের হতে সাহস পাননি। পুরো বাজারে থমথমে অবস্থা বিরাজ করে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন আলম অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরা ধারালো অস্ত্রসহ হামলা চালিয়েছে এবং আমাদের উপজেলা অফিসসহ প্রায় ৮০ থেকে ৯০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে। তিনি জানান, তাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

অন্যদিকে জামায়াতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন পাবনা জেলা শাখার সহসভাপতি আমিরুল ইসলাম বলেন, মনোনয়নপত্র না দেওয়ার মতো বেআইনি ঘটনা ও তাদের কর্মীদের মারধরের প্রতিবাদে স্থানীয় মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিবাদ মিছিল করে। অথচ সেখানে বিএনপি পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। এতে ছাত্র শিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি সাইদুল ইসলামসহ প্রায় ২০ জন গুরুতর আহত হন বলে তিনি দাবি করেন।

আটঘরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুজ্জামান পুরো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কলেজ কমিটি গঠন নিয়ে প্রথমে জামায়াতপন্থীদের নেতৃত্বে বিএনপি অফিস ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এরপর পাল্টা হামলায় জামায়াত অফিসেও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..