1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
বাংলাদেশের অনুরোধে টিউলিপের দুর্নীতি খতিয়ে দেখছে ব্রিটেন - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের অনুরোধে টিউলিপের দুর্নীতি খতিয়ে দেখছে ব্রিটেন

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫
  • ২১৬ বার পঠিত
টিউলিপের দুর্নীতি খতিয়ে দেখছে ব্রিটেন

টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তে যুক্তরাজ্যের প্রস্তুতি, শেখ পরিবারের সম্পদ জালে ধরা!

বাংলাদেশের শেখ পরিবারের দুর্নীতির গন্ধ যুক্তরাজ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে! অবশেষে ব্রিটিশ জাতীয় অপরাধ সংস্থা (এনএসি) টিউলিপ সিদ্দিকের সম্পদ ও অর্থ পাচার নিয়ে বাংলাদেশের আহ্বানে সাড়া দিতে যাচ্ছে। লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজ নিশ্চিত করেছে যে, ব্রিটিশ এমপি ও শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপের সম্পদ অনুসন্ধান করতে প্রস্তুত ব্রিটিশ গোয়েন্দারা। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন ভূকম্পন তৈরি করতে পারে।

টিউলিপের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ও রহস্যময় সম্পদ

টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি শেখ হাসিনার সরকার থেকে লুটপাট হওয়া অর্থের সুবিধাভোগী হয়েছেন। বিশেষ করে লন্ডনের এক মাল্টিমিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের ফ্ল্যাট উপহারের বিষয়ে তিনি তথ্য গোপন করেছেন। এই বিতর্কের জেরে গত জানুয়ারিতে তাকে ব্রিটিশ মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে হয়।

স্কাই নিউজ জানায়, বাংলাদেশে পাচার হওয়া টাকা ব্রিটেনে এসেছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী সহযোগী কেন্দ্র (আইএসিসিসি)। এই সংস্থাটি যুক্তরাজ্যের জাতীয় অপরাধ সংস্থা (এনএসি) দ্বারা পরিচালিত এবং যুক্তরাজ্য সরকারই এটি অর্থায়ন করে। অর্থাৎ, ব্রিটিশ সরকারই এখন শেখ পরিবারের দুর্নীতি নিয়ে সরাসরি তদন্তে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “টিউলিপ সিদ্দিক দুর্নীতিগ্রস্ত এবং তার বিচার হওয়া উচিত।” এরপরই ব্রিটিশ তদন্তকারীদের এই সক্রিয়তা স্পষ্ট হয়। জানা গেছে, গত বছর ব্রিটিশ এনএসি কর্মকর্তারা বাংলাদেশ সফর করেছেন, যেখানে তারা শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সম্পদের খোঁজ নিয়েছেন।

তবে স্কাই নিউজ এটাও স্পষ্ট করেছে যে, এই তদন্তের অর্থ এই নয় যে টিউলিপের বিরুদ্ধে সরাসরি অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। তবে ব্রিটিশ সংস্থাগুলোর আগ্রহ ইঙ্গিত দিচ্ছে, আওয়ামী আমলে পাচার হওয়া সম্পদের মূল খোঁজ এখন লন্ডনে

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়েন। এরপরই টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়। বিশেষ করে, শেখ পরিবারের ৩.৯ বিলিয়ন পাউন্ড আত্মসাতের অভিযোগ সামনে আসার পর টিউলিপও অভিযুক্ত হন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে টিউলিপের ভবিষ্যৎ ক্রমেই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে উঠছে। অভিযোগের প্রভাব ব্রিটিশ পার্লামেন্টেও পড়তে পারে, যেখানে আওয়ামী লীগের লবিং শক্তিশালী ছিল।

এদিকে, টিউলিপের মুখপাত্র জানিয়েছেন, তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং উপহারের ফ্ল্যাটের তথ্য গোপন করাকে “একটি তথ্যগত ভুল” বলে দাবি করেন।

কিন্তু আন্তর্জাতিক মহল এখন গভীরভাবে এই মামলার দিকে নজর রাখছে। শেখ পরিবারের সম্পদ নিয়ে ব্রিটিশ তদন্তের অগ্রগতি বাংলাদেশে রাজনৈতিক ধাক্কা দিতে পারে!

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..