1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
মিনিকেট চালের বাজারে কারসাজি, মধ্যবিত্ত দিশেহারা! - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন

মিনিকেট চালের বাজারে কারসাজি, মধ্যবিত্ত দিশেহারা!

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫
  • ১৫৩ বার পঠিত
মিনিকেট

ধান নেই, নাকি গোপনে মজুত? চালের দাম নিয়ে ব্যবসায়ীদের লুকোচুরি!

সরু চালের জন্য দেশের সবচেয়ে বড় মোকাম কুষ্টিয়ার খাজানগর। এখান থেকে চাল যায় রাজধানীসহ সারাদেশে। তবে এখন মিলগেটে উৎপাদন বন্ধ বলে দাবি ব্যবসায়ীদের! তারা বলছেন, গোডাউনে ধান নেই, তাই চাল তৈরি সম্ভব নয়। আর এই ফাঁকে খুচরা বাজারে মধ্যবিত্তের পছন্দের মিনিকেট চালের দাম ছুঁয়েছে আকাশ!

খাজানগরের একাধিক অটোরাইস মিল ঘুরে দেখা গেছে, অনেক মিল বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে মিনিকেট ধান মিলছে না, তাই উৎপাদন স্থগিত। কিন্তু চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, খুচরা বাজারে ঠিকই মিলছে ওইসব কোম্পানির মিনিকেট চাল—তবে চড়া দামে! মিলগেটে মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮১ টাকা কেজি, আর খুচরা বাজারে দাম আরও বেশি।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, বাজারে ধান সংকটের অজুহাত দেখালেও বহু মিলারের কাছে মজুত আছে বিপুল পরিমাণ ধান! তারা কৌশলে ধান আটকে রেখে চালের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন, যাতে বেশি দামে বিক্রি করে মুনাফা বাড়ানো যায়। কিন্তু প্রশাসনের নজরদারিতে বলছেন, ‘ধান নেই!’

চালের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়া অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘মিনিকেট ধান বাজারে নেই বললেই চলে। অল্প যে ধান আসছে, তার দাম কেজিপ্রতি ২২৫০ টাকা! এত দামে কিনলে চালের দাম বাড়বেই।’

খাজানগরের ৫০% মিল উৎপাদন বন্ধ রেখেছে, কেউ কেউ ব্যবসা গুটিয়ে ফেলার চিন্তা করছে। দাদা রাইস মিলের মালিক আরশাদ আলী বলেন, ‘নতুন মিনিকেট ধান আসতে দেড় মাস বাকি। এর আগে চালের দাম কমার সম্ভাবনা নেই। আমরা সরকারকে আমদানির পরামর্শ দিয়েছিলাম, কিন্তু কী হলো জানি না।’

রমজানের পরও চালের দাম কমেনি, বরং বেড়েছে। মৌসুমের শুরুতে ৬২-৬৪ টাকার চাল এখন ৮০-৮১ টাকা। কুষ্টিয়ার বাজারে মিনিকেট ৮৪-৮৬, কাজললতা ৭৬ ও মোটা আঠাশ ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাত্র এক সপ্তাহে কেজিপ্রতি ৩-৫ টাকা বেড়েছে, বিশেষ করে মিনিকেটের দামই সবচেয়ে বেশি বেড়েছে—৫ টাকা পর্যন্ত!

বাজার নিয়ন্ত্রণে সোমবার দুপুরে খাজানগরের মোকামে অভিযান চালান কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পার্থ প্রতীম শীল। অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি ধান মজুত ও চালের বস্তায় ওজন কম থাকায় দুই রাইস মিলকে জরিমানা করা হয়। ইউএনও বলেন, ‘একটি মিলে লাইসেন্স অনুমোদনের চেয়ে বেশি মজুত পাওয়া গেছে, যা তিনদিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য মিলে উৎপাদনের তারিখ ও ওজন লেখা নেই, তাদেরও সতর্কতামূলক জরিমানা করা হয়েছে।’

প্রশাসনের কড়া নজরদারি থাকলেও বাজারে চালের দাম কমার লক্ষণ নেই। প্রশ্ন হচ্ছে—ধান সত্যিই নেই, নাকি কৌশলে লুকিয়ে রেখে মূল্যবৃদ্ধির খেলা চলছে?

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..