1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
বিয়ের আগে লাশ হয়ে ফিরলেন চঞ্চল - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন

বিয়ের আগে লাশ হয়ে ফিরলেন চঞ্চল

  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫
  • ২০৪ বার পঠিত
চঞ্চল

স্বপ্ন পূরণের আগেই লাশ হয়ে ফিরলেন প্রবাসী চঞ্চল
গোলাম কিবরিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি রাজশাহী

সব স্বপ্ন শেষ করে করে ,
দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে বাড়ীতে আসলেন চঞ্চল।
স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০ দিন পর দেশে ফিরলেন শাহ আলম চঞ্চল—তবে জীবিত নয়, লাশ হয়ে। মালয়েশিয়ায় দুর্ঘটনায় নিহত এই প্রবাসীর স্বপ্ন ছিল ধার-দেনা শোধ করে ঘর বাঁধার। কিন্তু সব স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই বিদায় নিতে হলো তাঁকে।

নিহত শাহ আলম চঞ্চল (২৫) রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের মহদীপুর গ্রামের জফির উদ্দীন মৃধার ছেলে। গত (৩০ এপ্রিল ২০২৫) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মালয়েশিয়ায় কর্মরত অবস্থায় এক্সকাভেটর (ভেকু) মেশিনের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে তিনি প্রাণ হারান।

২০ দিন পর, বুধবার (২১ মে ২০২৫) সকালে নিজ গ্রামে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় প্রবাসী চঞ্চলকে। শোকাচ্ছন্ন পরিবেশ। মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্বজনরা। মা-বাবা বাকরুদ্ধ, ছোট বোন সুমি খাতুন বুক চাপড়ে কাঁদছিলেন।

দুই বছর আগে চঞ্চল নতুন স্বপ্ন নিয়ে ধার-দেনা করে শ্রমিকের ভিসায় মালয়েশিয়া যান। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানে এক্সকাভেটর মেশিন চালকের সহকারী হিসেবে কাজ করছিলেন। সবে মাত্র ধার-দেনা পরিশোধ শেষ করে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু সেই এক্সকাভেটর মেশিনই কেড়ে নেয় তাঁর প্রাণ, ভেঙে দেয় পুরো পরিবারের স্বপ্ন।

নিহতের পিতা জফির উদ্দীন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “কোরবানির ঈদের পর ছুটিতে এসে বিয়ে করার কথা ছিল ছেলের। মৃত্যুর আগের রাতেও আমাদের সঙ্গে কথা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ায় যে কোম্পানিতে চঞ্চল কাজ করতেন, তারা মরদেহ ঢাকায় পাঠানোর খরচ বহন করেছে। তবে ঢাকা থেকে বাড়ি আনতে তাদের নিজ খরচে প্রায় ১৭ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

মা সাথী বেগম বলেন, “ছেলেকে বিয়ে দিয়ে ঘরে আনব, বউ রান্না করে আমাদের খাওয়াবে—এটাই ছিল স্বপ্ন। ভাবতেও পারিনি, ছেলে লাশ হয়ে ঘরে ফিরবে।”
সব কিছুই যেন আজ শেষ হয়ে গেল ।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..