1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
কবরের ওপর খেজুরের ডাল পোঁতা কি সুন্নত নাকি ভুল - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

কবরের ওপর খেজুরের ডাল পোঁতা কি সুন্নত নাকি ভুল

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২২৭ বার পঠিত
খেজুরের ডাল

আমাদের সমাজে মৃত ব্যক্তিকে দাফনের পর কবরের ওপর খেজুরের ডাল বা গাছের শাখা গেঁড়ে দেওয়ার একটি দীর্ঘদিনের প্রচলন রয়েছে। অনেক সাধারণ মানুষ ধারণা করেন, এটি সুন্নত আমল অথবা এর মাধ্যমে কবরের আজাব নিশ্চিতভাবে ক্ষমা হয়ে যায়।

সহীহ বুখারী ও মুসলিম শরিফে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, একবার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুটি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। ওহীর মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে, ওই দুই ব্যক্তির কবরে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। তখন তিনি একটি তাজা খেজুরের ডাল ভেঙে দুই ভাগ করে দুটি কবরের ওপর স্থাপন করেন। সাহাবায়ে কেরাম কারণ জানতে চাইলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “ডাল দুটি শুকিয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আশা করা যায় তাদের শাস্তি কিছুটা হালকা করা হবে।” (বুখারী: ১৩৬১, মুসলিম: ২৯২)

এটি ছিল বিশেষ মোজেজা

অধিকাংশ ইসলামি আলেমের মতে, ঘটনাটি ছিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জন্য নির্দিষ্ট একটি বিশেষ ঘটনা। তিনি ওহীর মাধ্যমে কবরের আজাব সম্পর্কে অবগত হয়েছিলেন বলেই ওই সুপারিশ করেছিলেন। যেহেতু সাধারণ মানুষ কবরের অবস্থা সম্পর্কে অবগত নয়, তাই সব কবরের ওপর এভাবে ডাল পোঁতাকে বহু আলেম ‘অতিরঞ্জন’ হিসেবে গণ্য করেছেন।

সুন্নত না জায়েজ

বিভিন্ন আলেমের অভিমত হলো, কবরে ডাল দেওয়া কোনো ফরজ বা বাধ্যতামূলক সুন্নত নয়। তবে কেউ যদি বরকতের আশায় বা তাজা গাছপালার তাসবিহ (আল্লাহর গুণকীর্তন) থেকে মৃত ব্যক্তির উপকার হবে মনে করে একটি ডাল পুঁতে দেয়, তাহলে তা জায়েজ হতে পারে। তবে এটিও মনে রাখা জরুরি যে, এটি দাফনের অপরিহার্য অংশ নয়।

অতিরঞ্জন বর্জন জরুরি

কবরের চারদিকে চারটি ডাল স্থাপন করা বা নির্দিষ্ট সংখ্যক লোক দিয়ে এই কাজ করানো ইসলামে অনুমোদিত নয়। একইভাবে ফুল দিয়ে কবর সাজানো কিংবা মাজারের মতো জাঁকজমক করারও কোনো শরিয়তসম্মত ভিত্তি নেই।

ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, কবরে ডাল পোঁতার চেয়ে মৃত ব্যক্তির জন্য অধিক উপকারী হলো বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তেগফার করা। মৃতের পক্ষ থেকে দান-সদকা করা এবং কবরের ওপর স্বাভাবিকভাবে জন্মানো তাজা ঘাস বা লতাপাতা অযথা তুলে না ফেলা।

কবরের আজাব থেকে মুক্তির প্রধান উপায় হলো ব্যক্তির নিজের আমল। খেজুরের ডাল পোঁতার ঘটনাটি ছিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর একটি বিশেষ সুপারিশের দৃষ্টান্ত মাত্র। তাই কুসংস্কার বা লোকাচারে না জড়িয়ে সুন্নাহ অনুযায়ী মৃতের জন্য দোয়া করাই সর্বোত্তম পথ।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..