1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
ডায়াবেটিক রোগীরা রোজা রাখবেন কীভাবে? রমজানে খাওয়ার সঠিক নিয়ম - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন

ডায়াবেটিক রোগীরা রোজা রাখবেন কীভাবে? রমজানে খাওয়ার সঠিক নিয়ম

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫
  • ১৪৭ বার পঠিত
ডায়াবেটিক রোগীরা

সাদিকা জাহান

রমজান মাসে ডায়াবেটিক রোগীদের খাদ্যাভ্যাস: কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

রমজান মাসে অনেক অসুস্থ ব্যক্তির জন্য রোজা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে, এর মধ্যে অন্যতম হলো ডায়াবেটিক রোগীরা। তবে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়ম মেনে রোজা রাখলে তারা সুস্থভাবে রোজা রাখতে পারেন। চলুন, রোজার মাসে ডায়াবেটিক রোগীদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিস্তারিত জানি।

রমজান মাসে ডায়াবেটিক রোগীদের রোজা রাখার জন্য তিন মাস আগে থেকে সুগার কন্ট্রোলের চেষ্টা করা উচিত। সুগারের মাত্রা স্বাভাবিক রাখা না হলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা সুগারের নিম্নস্তরের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। যারা সুগার কন্ট্রোলে রাখতে সক্ষম, তারা রোজা রাখতে পারেন, তবে তাদের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

সাধারণত ডায়াবেটিক রোগীদের ছয় বেলা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, তবে রমজানে খাবারের সময় সীমাবদ্ধ থাকে মাত্র তিন বেলা। তাই সাহরিতে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া উচিত নয় এবং ইফতারে অনেক বেশি খাবার খাওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে। খাবারের পরিমাণের ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। ইফতার ও সাহরির মধ্যে খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত।

রমজান মাসে দীর্ঘ সময় রোজা রাখার কারণে শরীরে পানির অভাব হতে পারে, তাই একেবারে বেশি পানি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় না। ইফতারের সময় ডায়াবেটিক রোগীরা ডাবের পানি, ইসবগুলের শরবত, তোকমা, টক দইয়ের লাচ্ছি, চিনি ছাড়া লেবুর শরবত বা কাঁচা আমের জুস খেতে পারেন। এর মাধ্যমে শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখা যায়। তবে, যারা অ্যাসিডিটির সমস্যা ভোগেন, তারা টকজাতীয় খাবার এড়িয়ে স্যুপ বা সবজির জুস খান।

ইফতারী খাবারটি সকালে নাশতার সমান পরিমাণ হওয়া উচিত। ইফতারে কাঁচা ছোলা সিদ্ধ, আদা, টমেটো, পুদিনা মিশিয়ে মুড়ি, দইচিড়া, নরম খিচুড়ি, শসার রায়তা, ডিম সেদ্ধ, সাবুদানা মেশানো স্যুপ, মিক্সড ফল বা ফলের সালাদ খাওয়া যেতে পারে। ভাজাপোড়া ও তৈলাক্ত খাবার ইফতার থেকে বাদ দেওয়া উচিত।

রাতের খাবার হালকা হওয়া উচিত এবং শরীরের প্রয়োজনীয় আমিষ ও প্রোটিন মেটাতে ছোট মাছ, মুরগি, মাংস, সবজি, ডাল, শিমের বিচি বা সামুদ্রিক মাছ খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া, লাল আটার রুটি, চিড়া, মুড়ি, খই, ওটসের মতো সহজ খাবার খেতে পারেন।

সাহরিতে আমিষ জাতীয় খাবার যেমন মাছ, মুরগি, ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। গরুর মাংস ও ডাল থেকে পরিহার করা ভালো। এতে করে সুগার কন্ট্রোল বজায় রেখে রোজা রাখা সম্ভব।

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য রোজা রাখার ক্ষেত্রে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও সতর্কতা মেনে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করে তারা রোজা রাখতে সক্ষম হবে, এবং শরীরের প্রতি যত্নও নিবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..