1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
গাজীপুরে বন্ধ ৫১ কারখানা, শ্রমিকদের কর্মহীনতা চরমে - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন

গাজীপুরে বন্ধ ৫১ কারখানা, শ্রমিকদের কর্মহীনতা চরমে

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২০০ বার পঠিত
শ্রমিকদের কর্মহীনতা
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

গাজীপুর জেলার শিল্পখাতের অবস্থা এখন সংকটাপূর্ণ। ৫১টি কারখানা গত কয়েক মাসে বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে গেছে, এর মধ্যে ৪১টি স্থায়ীভাবে এবং ১০টি অস্থায়ীভাবে বন্ধ হয়েছে। এর ফলে অর্ধ লক্ষাধিক শ্রমিকের জীবন এখন সংকটময়, যারা দীর্ঘদিন ধরে বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, শ্রমিকরা বিক্ষোভে অংশ নিয়ে সড়ক অবরোধ, বাসে আগুন দেওয়ার মতো সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছেন।

গাজীপুর এখন বিক্ষোভের নগরী হয়ে উঠেছে। প্রায়ই এখানে সড়ক-মহাসড়ক বন্ধ হয়ে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ছে। পুলিশ এবং প্রশাসন তাদের আন্দোলন দমন করতে হিমশিম খাচ্ছে। সর্বশেষ গাজীপুরের গ্রামীণ ফেব্রিক্স অ্যান্ড ফ্যাশন লিমিটেডে শ্রমিকরা অগ্নিসংযোগ করেছে।

এখন পর্যন্ত গাজীপুরে ২,১৭৬টি নিবন্ধিত কারখানা রয়েছে, যার মধ্যে ১,১৫৪টি পোশাক কারখানা। এর মধ্যে ৩৫টি পোশাক কারখানা গত নভেম্বর থেকে বেতন দিতে পারছে না, এবং ডিসেম্বর থেকে বেতন বকেয়া পড়েছে ৪৫% কারখানার। এছাড়া ৫% কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ রয়েছে, আর ৯% কারখানায় বেতন বৃদ্ধি নিয়ে জটিলতা চলছে। বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে টঙ্গি, কোনাবাড়ী, কালিয়াকৈরসহ আরও কিছু জায়গার কারখানা রয়েছে, যেখানে ব্যাংকিং এবং আর্থিক সমস্যার কারণে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

এছাড়া গাজীপুরের কেয়া গ্রুপ, যেখানে ১৫ হাজার শ্রমিক কাজ করেন, তাদের ৭টি কারখানা বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কাঁচামালের অভাব, ব্যাংকের সাথে হিসাবের অমিল এবং বর্তমান বাজার অস্থিতিশীলতার কারণে এসব কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যদিও কর্তৃপক্ষ জানায়, শ্রমিকদের পাওনা তারা পরিশোধ করবে, তবে শ্রমিকরা তাদের পাওনা না পাওয়ার ক্ষোভে বিক্ষোভ করছে।

বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ১৬টি কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর প্রায় ৪২ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তাদের দাবি, সরকার তাদের জন্য সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে কারখানাগুলো খুলে দেওয়া হোক। একদিকে, শ্রমিকরা তাদের আটকে রাখা বেতন এবং অন্যান্য পাওনার জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, অন্যদিকে মালিকপক্ষ তাদের আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরছেন।

গাজীপুরের ডার্ড কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের শ্রমিকরা সাত মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে আন্দোলন করছেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষ এখনও তাদের বেতন দিতে পারেনি। সরকারের পক্ষ থেকে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হলেও, শ্রমিকদের অভিযোগ—বেতন পরিশোধের জন্য যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

গাজীপুরের শিল্প পুলিশ জানায়, কারখানাগুলোর বন্ধ হওয়ার কারণ হিসেবে ব্যাংকিং সমস্যা, আর্থিক সংকট এবং অর্ডারের অভাবকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতি শ্রমিকদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে, এবং তাদের আন্দোলন এখনও অব্যাহত রয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..