বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
মোদির বাকযুদ্ধে উত্তাল উপমহাদেশ, বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা!
অনলাইন ডেস্ক
কাশ্মীর ইস্যুতে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর আপাতত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে উপমহাদেশের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। তবে সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক তীক্ষ্ণ বার্তায় পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার ভাষ্য, প্রয়োজন হলে সীমান্ত পেরিয়ে আবারও আঘাত হানবে ভারত।
মোদির এমন অগ্নিগর্ভ মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি ইসলামাবাদ। মঙ্গলবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরাসরি হুমকির সুরে জানায়, পাকিস্তানের দিকে ভবিষ্যতে যদি কোনো আগ্রাসনের চেষ্টা হয়, তাহলে এর জবাব হবে ভয়াবহ। আঘাত যদি হয় তীব্র, প্রতিঘাত হবে দ্বিগুণ তীব্রতায়।
সোমবার মোদি তার ভাষণে স্পষ্ট করেন, ভারতের বিরুদ্ধে আর কোনো সন্ত্রাসী হামলা হলে সীমান্তের ভেতরে থাকা ‘সন্ত্রাসের ঘাঁটিতে’ আবারও অভিযান চালানো হবে। পারমাণবিক অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ভারতকে দমানো যাবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ার করেন। এর ঠিক পরদিন ইসলামাবাদ থেকে আসে কড়া প্রতিবাদ।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মোদির বক্তব্য ছিল সম্পূর্ণ উসকানিমূলক। যখন আন্তর্জাতিক মহল এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য কাজ করছে, তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করছে। পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিকে সম্মান করে এবং আঞ্চলিক স্থিতি আনতে কাজ করছে। তবে ভবিষ্যতের যে কোনো আগ্রাসনের জবাব দেওয়া হবে কড়া হাতে। আঘাত যত বড়, প্রতিঘাত হবে আরও ভয়ংকর।’
এদিকে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ভারতকে ব্যঙ্গ করে বলেন, শুধু রাফাল যুদ্ধবিমান থাকলেই হবে না, পাইলটদের যদি সাহস না থাকে। তিনি আরও বলেন, ভারত চেয়েছিল অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করতে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পিছু হটতেই হয়েছে।
ইসহাক দার জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তান কৌশলগতভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তার ভাষায়, “পাকিস্তানের সাহসী সেনারা জানে, কীভাবে দেশের সম্মান রক্ষা করতে হয়।”