সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। শুক্রবার তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ পদে বড় পরিবর্তন এনে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান, বিমানবাহিনীর জেনারেল চার্লস কিউ ব্রাউনকে বরখাস্ত করেছেন। একইসঙ্গে নৌ ও বিমানবাহিনীর শীর্ষ পাঁচজন অ্যাডমিরাল ও জেনারেলকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ সিদ্ধান্তে পেন্টাগনে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সূত্র বলছে, ব্রাউনের পরিবর্তে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ড্যান ‘রাজিন’ কেইনকে ফেরানো হচ্ছে। তিনি একসময় ফ-১৬ যুদ্ধবিমানের পাইলট ছিলেন এবং সিআইএ-তে সামরিক সহযোগী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অন্যদিকে, ইতিহাস গড়া নৌবাহিনীর প্রথম নারী প্রধান অ্যাডমিরাল লিসা ফ্রানচেত্তিসহ আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার পদ হারানোর শঙ্কা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই চমকপ্রদ রদবদল প্রতিরক্ষা নীতিতে বিশাল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব নয়, বরং প্রতিরক্ষা খাতের বড়সড় পুনর্গঠনের অংশ।
এমন সিদ্ধান্তের পর সামরিক বাহিনীতে রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ মহল বলছে, এটি জাতীয় নিরাপত্তার “পুনর্গঠনের” অংশ, তবে সমালোচকদের মতে, এটি সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্বকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করতে পারে। তথ্য: রয়টার্স