শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ঘুষ দেয়ার মামলায় ১০ জানুয়ারি রায় ঘোষণা হবে। তবে তাকে শাস্তি দেয়ার সম্ভাবনা নেই বলে এক বিচারক জানিয়েছেন।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্টর্মিকে ঘুষ দেয়ার ফৌজদারি মামলাটি নিউইয়র্কের ম্যানহাটান আদালতে চলমান। যৌন সম্পর্ক গোপন রাখার লক্ষ্যে ঘুষ দেয়ার অভিযোগে করা মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১০ জানুয়ারি। নিউইয়র্কের বিচারপতি হুয়ান মারচান জানিয়েছেন, ওই দিন মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
তবে, ট্রাম্পকে কারাগারে পাঠানো বা অন্য কোনো শাস্তি দেয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। বিচারপতি জানিয়েছেন, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে বা ভার্চুয়ালি শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন।
রয়টার্স জানায়, প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণে কোনো আইনি জটিলতা যেন না হয়, সেজন্য বিচারপতি জুয়ান মারচান শুক্রবার আদালতে একটি রুল জারি করেছেন। এতে বলা হয়, মামলায় ট্রাম্পকে শাস্তি দেয়া হবে না। বিচারপতি বলেছেন, মূলত মামলাটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।
ট্রাম্প আগামী ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। এই রায়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হলো যে শপথ গ্রহণের মাত্র ১০ দিন আগে ট্রাম্পকে আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এটি একটি অস্বাভাবিক ঘটনা। কারণ, আগের রায়ের ফলে ট্রাম্প মার্কিন ইতিহাসে প্রথম ব্যক্তি হবেন, যিনি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়েও প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন।
বিচারক তার রায়ে উল্লেখ করেন, ১০ জানুয়ারির শুনানিতে ট্রাম্পকে সশরীর বা ভার্চুয়ালি উপস্থিত হতে হবে। বিচারপতি বলেন, ট্রাম্পকে কারাগারে পাঠানোর কোনো ইচ্ছা তার নেই। তাকে ‘শর্তহীন মুক্তি’র আদেশ দেয়া হবে। এ ধরনের আদেশের মানে হলো, ট্রাম্পকে কোনো প্রকার হেফাজতে থাকতে হবে না, আর্থিক জরিমানা দিতে হবে না, কিংবা কোনো প্রবেশনও মেনে চলতে হবে না। এটাই হবে সবচেয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত।
অন্যদিকে, ট্রাম্পের মুখপাত্র স্টিভেন চেউং এক বিবৃতিতে বলেছেন, “এ মামলায় ট্রাম্পের কোনো ধরনের শাস্তি হওয়া উচিত নয়। বেআইনি ও অগ্রহণযোগ্য এ মামলাটি অবিলম্বে খারিজ করা প্রয়োজন। এটি সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন।”