সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর ভারতের ওপর ঠান্ডার প্রকোপ ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে বাড়তে শুরু করেছে। এর আগে ভারতের আবহাওয়া দফতর শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছিল। হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি তুষারপাত ও বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে উঠেছে। এর ফলে পর্যটকরা চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন। বিশেষ করে হিমাচল প্রদেশে গত দুই দিন ধরে ভারী তুষারপাতের ফলে ২০০-র বেশি রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। বহু পর্যটক এবং যানবাহন এই রাস্তাগুলিতে আটকে রয়েছে।
হিমাচলে তিনটি জাতীয় সড়কসহ মোট ২২৬টি রাস্তা বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে শিমলায় ১২৩টি, লাহুল-স্পিতিতে ৩৬টি এবং কুলুতে ২৫টি রাস্তা অচল। প্রবল ঠান্ডার কারণে রাজ্যের ১৭৩টি ট্রান্সফর্মার বিকল হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ পরিষেবা ভীষণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। রাজ্যের আবহাওয়া দফতরের তথ্যানুযায়ী, ভুন্তরে ৯.৭ মিমি তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রামপুরে ৯.৪ মিমি, শিমলায় ৮.৪ মিমি, বজৌরায় ৮ মিমি, সিয়োবাগে ৭.২ মিমি, মানালিতে ৭ মিমি এবং মন্ডীতে ৫.৪ মিমি বৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে রাজ্যের কিছু অঞ্চলে, বিশেষ করে শিমলায়, আবারও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন বছরের শুরুতেও তুষারপাত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। গত ২৪ ঘণ্টায় কোকসারে ৫.৬ সেন্টিমিটার তুষারপাত রেকর্ড হয়েছে। খাদরালা এবং সিলারুতে ৫ সেমি, পুতে ২ সেমি, সাংলায় ১.২ সেমি এবং কেলং, গন্ডলা ও জটে ১ সেমি তুষারপাত হয়েছে। তাবোতে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেছে। মন্জী, মানালি, উনা, হামিরপুর এবং সুরেন্দ্রনগরে শৈত্যপ্রবাহ চলতে থাকবে।