1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
এক সপ্তাহেই ১২টি নিত্যপণ্যের দামে হঠাৎ আগুন! - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

এক সপ্তাহেই ১২টি নিত্যপণ্যের দামে হঠাৎ আগুন!

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৩৪ বার পঠিত
নিত্যপণ্যের দামে

নিত্যপণ্যের দামের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। চাল, আটা, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল থেকে শুরু করে এমন কোনো নিত্যপণ্য নেই, যার দামে স্বস্তি মিলছে।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, গত এক সপ্তাহে, অর্থাৎ ৭ থেকে ১৪ অক্টোবরের মধ্যে ১২টি নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। তালিকায় রয়েছে সয়াবিন তেল, পাম তেল, চালের কুঁড়ার তেল বা রাইস ব্র্যান অয়েল, আলু, ছোলা, পেঁয়াজ, রসুন, জিরা, দারুচিনি, ধনে, গরুর মাংস ও ডিম।

ডিমের দাম নতুন করে বেড়েছে ডজনপ্রতি ১২ টাকা। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দাম উঠেছে ডজনপ্রতি ১৮০–২০০ টাকায়। বাজারে অভিযান শুরুর পর কিছু আড়ত ডিম বিক্রি বন্ধ রেখেছে, এতে সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। অনেক বাজারে ডিম পাওয়া যাচ্ছে না।

খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১ টাকা বেড়েছে এক সপ্তাহে। এতে করে এক মাসে বেড়েছে ৪ টাকা। আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা, পেঁয়াজ ৫ টাকা এবং গরুর মাংসের দাম কেজিপ্রতি ৫০ টাকা বাড়তি।

টিসিবির তালিকায় শাকসবজির দাম উল্লেখ নেই। যদিও বর্তমানে বাজারে সবচেয়ে চড়া দাম শাকসবজির। একেকটি শাকের আঁটি এখন ৩০-৫০ টাকা। বেশির ভাগ সবজির কেজি ৮০ টাকা থেকে শুরু। কিছু সবজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজিতে।

টিসিবির হিসাবে, এক সপ্তাহে সাতটি নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা কমেছে। এর মধ্যে রয়েছে মসুর ডাল, মুগ ডাল, আদা, এলাচি, খাসির মাংস, দেশি মুরগি ও চিনি। তবে, এসব পণ্যের দাম আগেই অনেক বেশি ছিল, ফলে সামান্য কমলেও তাতে তেমন স্বস্তি মেলেনি।

দাম কমাতে সরকার কিছু পণ্য আমদানি ও শুল্ক–কর কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এর সুফল কতটা পাওয়া যাবে, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, আমদানি ও শুল্ক কমানোর পদক্ষেপগুলো নিতে দেরি করে ফেলেছে সরকার। বাজার পরিস্থিতি সামলাতে নতুন সরকারকে শুরু থেকেই উদ্যোগী হতে হতো। যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে, তাদের সুফল নিশ্চিত করতে নজরদারি জরুরি।

ডিমের দাম আরও বেড়েছে
পাতে মাছ-মাংস তোলা যাঁদের জন্য একটু কষ্টকর, তাঁরা পুষ্টির চাহিদা মেটান ডিম দিয়ে। স্বল্প আয়ের মানুষের প্রাণিজ আমিষের বড় উৎসই হচ্ছে ডিম। সেই ডিমের দামও এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। পাশাপাশি নতুন সংকট হলো, পুরোনো কৌশলে বাজারে অভিযান চালাতে গিয়ে ডিমের সরবরাহ ব্যবস্থাতেই বিঘ্ন তৈরি হয়েছে।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ের আড়তে গত রবি ও সোমবার রাতে ডিমের ট্রাক আসেনি। ফলে তৈরি হয় ডিমের সরবরাহ সংকট। যে কারণে গত সোমবার ও গতকাল মঙ্গলবার কারওয়ান বাজারে ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হতে দেখা যায়নি।

একই দৃশ্য রাজধানীর কৃষি মার্কেটেও। এ মার্কেটে ডিমের সরবরাহ আসে কাপ্তান বাজার থেকে। গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কৃষি মার্কেটের বেশির ভাগ দোকানে ডিম নেই। একটি দোকানে ১৮০ টাকা ডজন ডিম বিক্রি হয়েছে। বিক্রেতারা জানান, কাপ্তান বাজার থেকে ডিম কিনতে পারেননি।

কৃষি মার্কেটের দোকানি আরশাদ হোসেন বলেন, দুই দিন ধরে দোকানে ডিম রাখা হয়নি। ডিম রাখলে ১৮০ টাকা ডজন বিক্রি করতে হয়। এ দামে বিক্রি করতে গেলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জরিমানা করে। ডিমের দাম না কমা পর্যন্ত তিনি বিক্রি করার সাহস করছেন না।

বড় বাজারে ১৮০ টাকা দরে পাওয়া গেলেও সোমবার রাতে ও গতকাল পাড়া–মহল্লার মুদিদোকানে ডিমের দাম ডজন ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় উঠে যায়।

এদিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে ডিমের দাম ও সরবরাহ নিয়ে আয়োজিত এক সভায় গতকাল সিদ্ধান্ত হয় যে এখন থেকে ডিম উৎপাদক বড় কোম্পানি ও ছোট খামারিরা সরকার নির্ধারিত দামে সরাসরি ঢাকার আড়তে ডিম পাঠাবেন, মাঝখানে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী থাকবে না। ফলে পাইকারি বিক্রেতারাও সরকার নির্ধারিত দামে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ডিম বিক্রি করবেন।

সভায় কাজী ফার্ম, প্যারাগন, সিপিসহ বড় করপোরেট ব্যবসায়ী, খামারি এবং তেজগাঁও ও কাপ্তান বাজারের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্প্রতি কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ডিমের যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করে দেয়। নির্ধারিত দাম অনুসারে, প্রতিটি ডিমের দাম উৎপাদন পর্যায়ে ১০ টাকা ৫৮ পয়সা, পাইকারি পর্যায়ে ১১ টাকা ১ পয়সা ও খুচরা পর্যায়ে ১১ টাকা ৮৭ পয়সা (ডজন ১৪২ টাকা ৪৪ পয়সা) হওয়ার কথা। ভোক্তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বৈঠকের পর আড়তদাররা জানান, তাঁরা ডিম বিক্রি শুরু করবেন।

সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আলীম আক্তার খান। তিনি জানান, নতুন সিদ্ধান্তের ফলে দু-তিন দফা হাতবদল কমবে। ফলে ক্রেতারা কম দামে ডিম কিনতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘নতুন এ পদ্ধতিতে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বিক্রি চলবে। এ সময়ে আমরা পর্যালোচনা করে দেখব যে এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে চলমান রাখা যাবে কি না।’

এদিকে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে গতকাল জানানো হয়, ডিম আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক–কর ৩৩ থেকে কমিয়ে ১৩ শতাংশ করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে সরকার সাড়ে চার কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে। যদিও তা এখনও আসা শুরু হয়নি।

ভোজ্যতেলেও করছাড় আসছে
আন্তর্জাতিক বাজারে কয়েক মাস ধরে সয়াবিন তেল ও পাম তেলের দাম বাড়ছে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে সম্প্রতি এক চিঠিতে জানিয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সমিতিটি মন্ত্রণালয়কে জানায়, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ এবং পাম তেল ১৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়েছে। এ কারণে দেশের বাজারে তারা দুই ধরনের তেলের দাম সমন্বয় করতে চায়। সর্বশেষ সমন্বয় করা হয়েছিল গত ১৮ এপ্রিল।

তবে বিকল্প প্রস্তাবও রয়েছে সমিতিটির। সচিবালয়ে গতকাল অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করে সমিতি জানায়, স্থানীয় পর্যায়ে দাম তারা বাড়াবে না, যদি সরকার আমদানি পর্যায়ে বিদ্যমান শুল্ক ১৫ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনে। শুধু তা–ই নয়, স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে সব ধরনের শুল্ক প্রত্যাহারও চায় তারা। জানা গেছে, স্থানীয় পর্যায়ে কর রয়েছে ৫ শতাংশ।

বৈঠকে বাণিজ্য সচিব মোহা. সেলিম উদ্দিন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল খানসহ ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানাগুলোর মালিকপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের পর গতকালই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এনবিআরে প্রস্তাবটি পাঠিয়ে দিয়েছে। ট্যারিফ কমিশনই করছাড়ের সুপারিশ করেছিল।

এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান গত রাতে মুঠোফোনে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রস্তাব পেয়েছি। শুল্ক কমানোর বিষয়টি পর্যালোচনা করার কাজও শুরু করেছি। শিগগির এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।’

সুলভে ১০ পণ্য বিক্রির উদ্যোগ
রাজধানীর সচিবালয় এলাকায় খাদ্য ভবনের সামনে গতকাল কৃষি ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..