রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী
জনসেবায় অঙ্গীকারবদ্ধ বাঘা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী আক্তার কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী। জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রশাসনকে মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, সবার সহযোগিতায় তার প্রচেষ্টা অব্যাহত। অফিসিয়াল ব্যস্ততার পরেও রাতের বেলায় নিম্ন আয়ের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে শীতবস্ত্র (কম্বল) পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। শীতার্ত পথচারী ও ফুটপাতের সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দিচ্ছেন উষ্ণতার প্রতীক কম্বল।
প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল থেকে পাওয়া শীতবস্ত্র উপজেলার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, মাদ্রাসা, গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা, পথচারী ও ফুটপাতের সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবিহা সুলতানা ডলি, উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে নিয়ে এসব এলাকার সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
জানা গেছে, সরকারি বরাদ্দের অর্থ দিয়ে কেনা শীতবস্ত্র উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকের দিকনির্দেশনায় ইউএনও কখনো নিজে, আবার কখনো সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ নিশ্চিত করছেন। এ প্রক্রিয়া এখনো অব্যাহত রয়েছে।
৭ জানুয়ারি ইউএনও শাম্মী আক্তারের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, “শুধু শীতবস্ত্র বিতরণ নয়, জনসেবার প্রতিটি ক্ষেত্রেই উপজেলার প্রতিটি দপ্তরকে জনগণের বিশ্বাসযোগ্যতার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।”
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, প্রতিটি ইউনিয়নে সাড়ে ৪০০ পিস করে শীতবস্ত্র বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
শীতবস্ত্র পাওয়া সরেরহাট কল্যাণী শিশু সদন ও বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দা খাদিজা বেওয়া বলেন, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে আমাদের হাতে শীতবস্ত্র (কম্বল) তুলে দিয়েছেন।”