মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন
বনি আমিন, মনপুরা উপজেলা প্রতিনিধি।
ভোলার মনপুরা উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারে অবৈধভাবে পণ্য পাচারে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকলে ও এই অবৈধ পন্য পাচার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নেই কোন ভূমিকা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে এসব কর্মকাণ্ড চললেও মনপুরায় প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ভূমিকা নেই, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ মানুষের মনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপকূলীয় এই অঞ্চলের নদী পথকে ব্যবহার করে গভীর রাতে বিভিন্ন পণ্য -বিশেষ করে জ্বালানি তেল,আলু,কোমল পানি,ঔষধ, সিমেন্ট,ডাল সহ কিছু নিষিদ্ধ সামগ্রী-মাছ ধরার ট্রলার ও নৌযানের মাধ্যমে মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে। এ কাজে জড়িত রয়েছে একটি শক্তিশালী সংঘবদ্ধ চক্র, যারা দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নির্দিষ্ট কিছু ঘাট ও চরাঞ্চল এসব পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। রাতের আঁধারে একাধিক নৌযান চলাচল করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তৎপরতা খুব একটা চোখে পড়ে না। ফলে সিন্ডিকেট সদস্যরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দাদের দাবি, পাচারকারীোরা প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনার খবর পাওয়া গেলেও তা স্থায়ী কোনো প্রভাব ফেলছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে মনপুরা উপজেলার একাধিক সচেতন নাগরিক বলেন,“এভাবে অবৈধ পাচার চলতে থাকলে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”
তবে এ বিষয়ে মনপুরা থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, অবৈধ পাচার রোধে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করবে।