সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় আটক হওয়া যুগ্ম সচিব এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদারকে আদালতের নির্দেশে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
আজ রবিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
এর আগে গতকাল শনিবার অবৈধভাবে ভারতে পালানোর চেষ্টার সময় তাকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরবর্তীতে, পাসপোর্ট আইনের আওতায় মামলা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জড়িত থাকার অপরাধে পল্টন থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ আদালতে হাজির করেন কসবা থানার পুলিশ।
এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদার জাতীয় সংসদের প্রাক্তন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরীর অধীনে যুগ্ম সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমরকড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।
বিজিবির পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের পুটিয়া এলাকায় আন্তর্জাতিক সীমারেখা সীমান্ত পিলার ২০৫০/৮-এস থেকে ৫০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে পুটিয়া স্থান থেকে এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদারকে আটক করা হয়েছে। তিনি ভারতে অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিলেন। এ সময় সালদানদী বিওপির টহল দল তাকে আটক করে।
বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল এ এম জাবের বিন জব্বার জানান, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পালানোর চেষ্টা করার অপরাধে যুগ্ম সচিব এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদারকে আটক করা হয়েছে। পাসপোর্ট ছাড়া বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করার অপরাধে তাকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল হক কবির জানান, আটক যুগ্ম সচিব এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদারকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিজিবির পক্ষ থেকে ১৯৭৩ সালের পাসপোর্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে পল্টন থানায় হত্যা মামলা রয়েছে। এই দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।