1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
নড়াইলে মসজিদের পাশেই মন্দিরে পূজা উৎসব, নেই কোনো বিদ্বেষ - Janatar Jagoron

নড়াইলে মসজিদের পাশেই মন্দিরে পূজা উৎসব, নেই কোনো বিদ্বেষ

  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১২৩ বার পঠিত
নড়াইলে ধর্মীয় সমন্বয়ে বিরল ঐতিহ্য

অনলাইন ডেস্ক,

নড়াইল পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মহিষখোলা এলাকায় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে একই আঙ্গিনায় মসজিদ ও মন্দিরের সমন্বয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতির নজির রচিত হচ্ছে। এক প্রান্তে জামে মসজিদে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করছেন, বিপরীত প্রান্তে হিন্দুরা শঙ্খ-উলুধ্বনিতে পূজা অর্চনা করছেন—এভাবেই এখানে শান্তি ও সহমর্মিতা বজায় রয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, ১৯৮১ সালে কয়েক মাসের ব্যবধানে একই আঙ্গিনায় স্থাপিত হয় পুরাতন সাব-রেজিস্ট্রি অফিস জামে মসজিদ ও মহিষখোলা সার্বজনীন পূজা মণ্ডপ। সেই সময় থেকে এখানে নামাজ, দূর্গাপূজা ও বিভিন্ন পূজা-পার্বণ নির্বিঘ্নে উদযাপন হচ্ছে। আজানের সময় শঙ্খ বা ঢাকের শব্দে কোনো বাধা নেই, নামাজ শেষে পূজা পালনেও কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। কারো মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি, আক্ষেপ বা দ্বন্দ্ব নেই।

জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি অশোক কুমার কুন্ডু বলেন, “এত কাছাকাছি মসজিদ-মন্দিরে ধর্ম পালনের এই শান্তিপূর্ণ সমন্বয় মুসলিম সম্প্রদায়ের সহমর্মিতা ও শ্রদ্ধার ফল। মুসলমান ভাইদের ধন্যবাদ। এই সৌহার্দ সম্প্রীতি ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে।”

জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন, “মহিষখোলা এলাকার এই মসজিদ-মন্দির সহঅবস্থান আমাদের প্রাচীন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জীবন্ত উদাহরণ। একে অপরকে বোঝার মাধ্যমে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির মেলবন্ধন গড়ে উঠেছে, যা ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে।”

উল্লেখ্য, নড়াইল জেলায় মসজিদের গা-ঘেষে এমন আরও ১৪–১৫টি মন্দির আছে। এতে কোনো ধর্মীয় বিদ্বেষ নেই। হিন্দু-মুসলিমরা নিজ নিজ ধর্ম পালন করছে নিরাপদে, নিঃশঙ্ক চিত্তে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..