1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি যুদ্ধ এবার ৮৭৯ কেন্দ্রে - Janatar Jagoron
শিরোনাম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি যুদ্ধ এবার ৮৭৯ কেন্দ্রে

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
  • ১৭৭ বার পঠিত
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি যুদ্ধ

এক ঘণ্টায় ভাগ্য নির্ধারণ, প্রস্তুত তো ভর্তি যুদ্ধে?
অনলাইন ডেস্ক

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে ৩১ মে হতে যাচ্ছে এক দমদমা পরীক্ষা যুদ্ধ। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা—মাত্র এক ঘণ্টার এই পরীক্ষায় ভাগ্য নির্ধারিত হবে লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর। আর এই মহাযুদ্ধে অংশ নিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে দেশের ৮টি বিভাগের মোট ৮৭৯টি কেন্দ্র, যেখানে একযোগে চলবে ভর্তি পরীক্ষা।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকপূর্ব শিক্ষাবিষয়ক স্কুলের ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. মো. আশেক কবির চৌধুরীর স্বাক্ষরিত কেন্দ্র তালিকা অনুযায়ী, বিভাগের পর বিভাগের নামের পাশে রয়েছে চোখ চড়কগাছ করা সংখ্যা। ঢাকা বিভাগেই রয়েছে সর্বোচ্চ ২৪৭টি কেন্দ্র, যা থেকে সহজেই আঁচ করা যায় পরীক্ষার্থীর চাপ কতটা তীব্র। খুলনায় ১৫৬টি, চট্টগ্রামে ১৩৪টি, রাজশাহীতে ১৪৩টি, রংপুরে ৯৬টি, বরিশালে ৫৯টি এবং সিলেট বিভাগে ৪৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। প্রতিটি বিভাগের বিভিন্ন সরকারি কলেজের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, যাতে কোন শিক্ষার্থী কেন্দ্রের দূরত্ব নিয়ে সমস্যায় না পড়ে।

এবারের ভর্তি পরীক্ষা হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে, যেখানে শিক্ষার্থীদের ১০০টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে মাত্র ৬০ মিনিটে। একেকটি প্রশ্ন মানে একেকটি নম্বর—সব মিলিয়ে ১০০ নম্বরের এই পরীক্ষাই হবে মূল নিয়ামক। তবে এখানেই শেষ নয়। চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারণে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল থেকে নেওয়া হবে ৪০ শতাংশ এবং এইচএসসি থেকে ৬০ শতাংশ। সব মিলিয়ে ২০০ নম্বরের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে মেধাতালিকা। তাই শুধু ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করলেই হবে না—পূর্বের ফলাফলও টানবে মারাত্মক প্রভাব।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশেষভাবে জানিয়েছে, পরীক্ষার দিন পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং এইচএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড। আর সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি থাকলেও মোবাইল ফোন বা কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ বিষয়ে থাকবে কড়া নজরদারি।

এদিকে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নিয়ে নাটকও কম হয়নি। শুরুতে ৩ মে নির্ধারণ করা হলেও তা পিছিয়ে নেওয়া হয় ২৪ মে-তে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসে—৩১ মে সকাল ১১টা, এটাই ‘দ্য ডে’। এখন শুধু অপেক্ষা, কে পারবে এক ঘণ্টার এই কঠিন পরীক্ষায় নিজের জায়গা পাকা করে নিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে?

সবমিলিয়ে বলা যায়, এটি শুধুই একটি ভর্তি পরীক্ষা নয়—এ যেন শিক্ষার্থীদের জীবনের অন্যতম বড় লড়াই, যেখানে সময়, মেধা আর মানসিক প্রস্তুতির পরীক্ষাও সমানভাবে চলবে। যারা এখনও গা ছাড়া ভাব নিয়ে আছে, সময় এসেছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিকে তীক্ষ্ণ করার। কারণ ৩১ মে, কে পাবে জয় আর কে হবে হতাশ—তা নির্ধারিত হবে মাত্র এক ঘণ্টার লড়াইয়ে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..