মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
আয়নাঘরের অন্ধকারে কাঁদলেন কেরি, জাগল বিশ্ব বিবেক
অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী মানবাধিকার সংগঠন আরএফকে সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস-এর প্রেসিডেন্ট কেরি কেনেডি গোপন ও কুখ্যাত ‘আয়নাঘর’ বন্দিশিবিরে সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন, যা বাংলাদেশে গোপন আটকের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
তার এই সাহসিকতাপূর্ণ সফরে সঙ্গী ছিলেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত মানবাধিকার আইনজীবী ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাশেম আরমান, যিনি নিজে দীর্ঘ আট বছর ধরে এই ভয়ংকর স্থানে অন্ধকারে বন্দি ছিলেন। কেরি কেনেডির এই পরিদর্শনকে আন্তর্জাতিকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অস্বীকারযোগ্য প্রমাণ এবং বৈশ্বিক সচেতনতা সৃষ্টির এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গতকাল মঙ্গলবার (১৩ মে) আলোচিত আয়নাঘরে প্রবেশ করেন কেরি কেনেডি। এই নজিরবিহীন ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশ পায় বুধবার (১৪ মে) সকালে, শফিকুল আলম নামে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে।
ফেসবুকে শফিকুল আলম লেখেন, কেরি কেনেডি মীর আহমদ বিন কাশেমের সঙ্গে ওই আয়নাঘরের নির্জন কক্ষে সময় কাটান, যেখানে তিনি আট বছর ধরে নিখোঁজ ছিলেন। স্মৃতির দহন বর্ণনা করতে গিয়ে মীর আহমদ কান্নায় ভেঙে পড়লে, আবেগাপ্লুত কেরি তাকে সান্ত্বনা দেন।
তিনি আরও লেখেন, হাসিনা সরকারের ১৫ বছরের নির্মম ও দুর্নীতিময় শাসনামলে গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারকে যেভাবে পিষে ফেলা হয়েছে, তা তুলে ধরতে কেরি কেনেডি এক জাগ্রত কণ্ঠে বিশ্বমঞ্চে সোচ্চার ছিলেন। তার নিরলস ভূমিকা মীর আহমদকে আয়নাঘরে জীবিত রাখার অন্যতম কারণ বলে জানা যায়।
উল্লেখ্য, কেরি কেনেডি হলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত অ্যাটর্নি জেনারেল রবার্ট এফ কেনেডির কন্যা এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির ভাগনি।