1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাচ্ছেন মাদ্রাসাশিক্ষার্থীরা - Janatar Jagoron

রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাচ্ছেন মাদ্রাসাশিক্ষার্থীরা

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫
  • ১৬৪ বার পঠিত
রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাচ্ছেন মাদ্রাসাশিক্ষার্থীরা

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীরা দেখিয়েছিলেন দুর্ভেদ্য প্রতিরোধের সাহসী নজির। যাত্রাবাড়ীর রাজপথে গুলির মুখে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তারা। সেদিনের শহীদদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজধানীর রাজপথ—গড়ে উঠেছিল ‘মাদ্রাসা রেজিস্ট্যান্স’ নামে অমর ইতিহাস।

সেই আত্মত্যাগকে কেন্দ্র করেই এবছর সোমবার (২১ জুলাই) প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হতে যাচ্ছে ‘মাদ্রাসা রেজিস্ট্যান্স ডে’। এই দিবসকে ঘিরে যাত্রাবাড়ীর ইবনে সিনা হাসপাতালসংলগ্ন রাজপথে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার দৃশ্যপট তৈরি হচ্ছে জোরকদমে।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে হবে এই ঐতিহাসিক দিবসের কর্মসূচি। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পুরো আয়োজনে সরকার মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ ও অবদানের প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে—এমনটাই জানানো হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, যা “গণমাধ্যম”-এ প্রকাশিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান রাষ্ট্রীয় অতিথি থাকবেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার। তার পাশাপাশি সরকারের আরও কয়েকজন উপদেষ্টা, সচিব ও শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

প্রতিরোধের এই দিনটি ঘিরে মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল ৩টায়। একটানা রাত ১১টা পর্যন্ত চলবে আবেগঘন কর্মসূচি। সেখানে থাকবে শহীদ পরিবারদের স্মৃতিচারণ, আহত মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের করুণ অভিজ্ঞতা এবং ২০১৩, ২০২১ ও ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের জীবন্ত ইতিহাসভিত্তিক বর্ণনা।

এই স্মরণানুষ্ঠানে শোনা যাবে জ্বলন্ত প্রতিবাদ ও আত্মত্যাগের সুর। পরিবেশিত হবে কবিতা আবৃত্তি, হামদ, নাত, নাশিদ এবং অগ্নিগর্ভ দ্রোহের গান। প্রদর্শিত হবে দুটি হৃদয়স্পর্শী প্রামাণ্যচিত্র— ‘ছত্রিশে জুলাই’‘সাদা জোব্বা, লাল রক্ত’

তবে আয়োজনে সবচেয়ে চমকপ্রদ পর্ব হতে যাচ্ছে—‘প্রতিরোধ ও পুনর্জাগরণের প্রতীকী উপস্থাপনা’ এবং ড্রোন শো। প্রযুক্তি আর আবেগের সংমিশ্রণে রচিত এই মঞ্চায়নে ফুটে উঠবে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের ঐতিহাসিক প্রতিরোধ।

আর পুরো যাত্রাবাড়ী জুড়ে সময় সময় গর্জে উঠবে সেদিনের সেই বীরত্বের স্লোগান, যা একসময় কাঁপিয়ে দিয়েছিল স্বৈরশাসনের ভিত। এবারের অনুষ্ঠান সেই গর্জনেরই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা—যেখানে আত্মত্যাগ রূপ নেবে আত্মমর্যাদায়।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..