খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হলো বড়দিন, যা ক্রিসমাস ডে নামে পরিচিত। ২৫ ডিসেম্বর দিনটি খ্রিষ্টধর্ম অনুসারীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ তারা মনে করেন এই দিনে তাদের ধর্মের প্রবর্তক যিশু
হিজরতের বছর ৬২২ সালে শুরু হয়েছিল মসজিদে নববির নির্মাণকাজ। প্রায় সাত মাস সময় ধরে ৬২৩ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এর কাজ চলতে থাকে। মদিনায় পৌঁছানোর পর রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর উট কাসওয়া যে
মানুষের জীবন একটি পরীক্ষা কেন্দ্র। এখানে সুখ-দুঃখ, সাফল্য-বিফলতা, সহজতা ও কঠিনতা—সবই আল্লাহর পরীক্ষা। তবে আল্লাহর অসীম রহমত ও ক্ষমাশীলতার উপর বিশ্বাস রেখে, আমরা দুঃখের অন্ধকারে আলোর পথ খুঁজে পাই। এ
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক মন্তব্য করেছেন যে, সমাজে অনেক পুরুষ অতি তুচ্ছ কারণে স্ত্রীদের প্রতি অন্যায় আচরণ করেন। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের খুতবার সময় জাতীয়
মধ্যরাতে যখন চারপাশ নিস্তব্ধ থাকে আর মানুষ গভীর ঘুমে নিমগ্ন, তখন পূণ্যবান মানুষ জেগে ওঠে ইবাদত-বন্দেগিতে লিপ্ত হতে। এই সময় তাঁরা আল্লাহর কাছে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করেন। সুবহে সাদিকের পূর্ব
দেশের অনেক অঞ্চলে রাতের বেলা, অর্থাৎ সূর্যাস্তের পর থেকে পরদিন সূর্যোদয় পর্যন্ত স্বপ্নের বিষয় আলোচনা করা, স্বপ্ন বর্ণনা করা বা তার ব্যাখ্যা চাওয়া অশুভ এবং ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়।
সন্তান জন্মের পর তার কানে আজান দেওয়া সুন্নত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার নাতি হাসানের কানে আজান দিয়েছেন বলে হাদিসে উল্লেখ আছে। আবু রাফে (রা.) বলেন, رَأَيْتُ رَسُولَ
হাত উঠিয়ে মোনাজাতের পর উভয় হাতের তালু মুখে মুছে নেওয়া মুস্তাহাব। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে তিনি বলেন, كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا رَفَعَ يَدَيْهِ
কোরআন আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নাজিলকৃত শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। যেমন সৃষ্টির মধ্যে আল্লাহর মর্যাদা অনস্বীকার্য, তেমনই পৃথিবীর সকল কথার মধ্যে কোরআনের মর্যাদাও অগণিত। আল্লাহ তাআলা কোরআন সম্পর্কে বলেন, اِنَّهٗ لَقُرۡاٰنٌ كَرِیۡمٌ
অজু করার পর মোটা চামড়ার বা কাপড়ের মোজা পরিধান করলে, মুসাফির এক দিনের জন্য এবং মুকিম ব্যক্তি এক দিনের জন্য পা ধোয়ার পরিবর্তে মোজার ওপর মাসাহ করতে পারবেন। তবে শর্ত