রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
বগুড়ার নন্দীগ্রামে ভোটের অর্থ বণ্টনের অভিযোগকে ঘিরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ দুইজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার পারশুন গ্রামে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, সোমবার রাতে পারশুন গ্রামের আব্দুল আজিজের বাড়িতে কয়েকজনের সন্দেহজনক জমায়েত দেখতে পেয়ে তারা সেখানে উপস্থিত হন। তখন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বেলালসহ জামায়াতের কয়েকজন কর্মী ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণ করছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা বেলালসহ দুইজনকে আটক করে বুড়ইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানার বাসভবনে নিয়ে যান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও অভিযোগ রয়েছে, পুলিশের সামনেই জামায়াতের প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাসুদ রানার বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় মাসুদ রানা ও তার ভাইকে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং আটক থাকা দুইজনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
এ সময় মাসুদ রানার বাড়িসহ আশপাশের তিনটি বাড়ি এবং একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মাসুদ রানাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বগুড়া-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। বরং বিএনপির নেতাকর্মীরাই আমাদের কর্মী গালিবকে মারধর করে আহত করেছে। মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমাদের দুই কর্মীকে আটক রেখে নির্যাতন করা হয়েছে।
বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পুলিশের উপস্থিতিতে কীভাবে এমন হামলা সংঘটিত হলো, তা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়। এভাবে পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভোটের দিন পরিস্থিতির চরম অবনতি হতে পারে। আমরা এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ মামলা করেনি। তবে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।