1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
ঝালমুড়ি বিক্রেতার এক মাসে বিদ্যুৎ বিল ১১ লাখ টাকা - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

ঝালমুড়ি বিক্রেতার এক মাসে বিদ্যুৎ বিল ১১ লাখ টাকা

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫
  • ১৪২ বার পঠিত
ঝালমুড়ি বিক্রেতার এক মাসে বিদ্যুৎ বিল ১১ লাখ টাকা

ফ্যান-ফ্রিজেই ১১ লাখ! পল্লী বিদ্যুতে চরম গাফিলতি?
অনলাইন ডেস্ক

গাজীপুরের শ্রীপুরে মাত্র দুটি বাল্ব, দুটি ফ্যান আর একটি ফ্রিজ চালিয়ে ঝালমুড়ি বিক্রেতা মো. আবদুল মান্নানের বাড়িতে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে প্রায় ১১ লাখ টাকা! এমন ‘ভুতুড়ে বিল’ দেখে হতবাক মান্নান দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী মো. আবদুল মান্নান বরমী ইউনিয়নের গাড়ারণ গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি বলেন, আমার স্ত্রী মর্জিনা বেগম বিদেশে থাকেন। তার নামে পল্লী বিদ্যুতের একটি মিটার আছে। রোববার দুপুরে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন জুলাই মাসের বিলের কাগজ দিয়ে যায়। সেখানে লেখা—১০ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা বিল! অথচ এপ্রিল মাসে বিল এসেছিল ১৪০ টাকা, মে মাসে ১১৫ টাকা আর জুন মাসে ১২৬ টাকা। হঠাৎ করে জুলাই মাসে এই বিশাল অঙ্ক কীভাবে এল?

মান্নান বলেন, এখন শুরু হবে বিদ্যুৎ অফিসে ঘোরাঘুরি, স্যারদের পেছনে দৌড়ানো। আমরা গরিব মানুষ—এমন হয়রানি আমাদের জন্য ভীষণ যন্ত্রণাদায়ক। বিলের অঙ্ক শুনে মাথা ঘুরে গিয়েছিল। আমি এখনো মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। দ্রুত এই সমস্যা সমাধান ও এমন হয়রানির অবসান চাই। এত বিদ্যুৎ জীবনে ব্যবহারই করিনি!

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর শ্রীপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আনোয়ারুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতার ঘরে এত বড় অঙ্কের বিল আসা স্পষ্ট ভুল। বিষয়টি আমরা জেনেছি এবং খুব দ্রুতই সঠিকভাবে সমাধান করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ভুক্তভোগী যেন দ্রুত স্বস্তি পান, আমরা সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..