রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
ফ্যান-ফ্রিজেই ১১ লাখ! পল্লী বিদ্যুতে চরম গাফিলতি?
অনলাইন ডেস্ক
গাজীপুরের শ্রীপুরে মাত্র দুটি বাল্ব, দুটি ফ্যান আর একটি ফ্রিজ চালিয়ে ঝালমুড়ি বিক্রেতা মো. আবদুল মান্নানের বাড়িতে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল এসেছে প্রায় ১১ লাখ টাকা! এমন ‘ভুতুড়ে বিল’ দেখে হতবাক মান্নান দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
ভুক্তভোগী মো. আবদুল মান্নান বরমী ইউনিয়নের গাড়ারণ গ্রামের বাসিন্দা।
তিনি বলেন, আমার স্ত্রী মর্জিনা বেগম বিদেশে থাকেন। তার নামে পল্লী বিদ্যুতের একটি মিটার আছে। রোববার দুপুরে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন জুলাই মাসের বিলের কাগজ দিয়ে যায়। সেখানে লেখা—১০ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা বিল! অথচ এপ্রিল মাসে বিল এসেছিল ১৪০ টাকা, মে মাসে ১১৫ টাকা আর জুন মাসে ১২৬ টাকা। হঠাৎ করে জুলাই মাসে এই বিশাল অঙ্ক কীভাবে এল?
মান্নান বলেন, এখন শুরু হবে বিদ্যুৎ অফিসে ঘোরাঘুরি, স্যারদের পেছনে দৌড়ানো। আমরা গরিব মানুষ—এমন হয়রানি আমাদের জন্য ভীষণ যন্ত্রণাদায়ক। বিলের অঙ্ক শুনে মাথা ঘুরে গিয়েছিল। আমি এখনো মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। দ্রুত এই সমস্যা সমাধান ও এমন হয়রানির অবসান চাই। এত বিদ্যুৎ জীবনে ব্যবহারই করিনি!
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর শ্রীপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আনোয়ারুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতার ঘরে এত বড় অঙ্কের বিল আসা স্পষ্ট ভুল। বিষয়টি আমরা জেনেছি এবং খুব দ্রুতই সঠিকভাবে সমাধান করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ভুক্তভোগী যেন দ্রুত স্বস্তি পান, আমরা সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি।