শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন
উপকূলে ঝড়ের ঘণ্টাধ্বনি, সাগরে উত্তাল সতর্কবার্তা!
অনলাইন ডেস্ক
গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তার লাগোয়া উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘনীভূত নিম্নচাপটি এখন আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে সরে গিয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তে অবস্থান করছে। এটি আরও গভীরে অগ্রসর হওয়ার আভাস রয়েছে। এ অবস্থায় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি খুলনা ও বরিশাল বিভাগে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।
শনিবার (২৬ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শাহীনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে গণমাধ্যম।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নিম্নচাপটি অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে এগোচ্ছে, যার ফলে উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চল ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে দমকা হাওয়া বা ঝোড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। নিম্নচাপ ও অমাবস্যার প্রভাবে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ আশপাশের চর ও দ্বীপাঞ্চলে ১ থেকে ৩ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা রয়েছে।
এছাড়া সমুদ্রযাত্রীদের জন্যও সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকাগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের স্বাক্ষরিত ভারি বর্ষণের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কারণে শনিবার সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বেশ কয়েকটি স্থানে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এতে করে নদী তীরবর্তী অঞ্চলে পানি বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকছে বলেও সতর্ক করেছেন আবহাওয়াবিদরা।