1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
ডা. ইকবালকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ, আদালতের কঠোর হুঁশিয়ারি - Janatar Jagoron

ডা. ইকবালকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ, আদালতের কঠোর হুঁশিয়ারি

  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২২৩ বার পঠিত
ডা. ইকবালকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

২০০১ সালে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে বিএনপির মিছিলে চারজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় সাবেক দুই সংসদ সদস্য ডা. এইচবিএম ইকবাল, নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনসহ মোট ১৫ জনকে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত বুধবার এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ অব্যাহতির আদেশ স্থগিত করে এ সিদ্ধান্ত দেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের পর আদালত থেকে অব্যাহতি পেয়েছিলেন অভিযুক্তরা। মামলার বাদী, তৎকালীন খিলগাঁও থানা বিএনপির সভাপতি ইউনুস মৃধা এই আবেদনটি করেন। আদালতে তার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলাম।

২০০১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি হরতালের বিরুদ্ধে ডা. ইকবালের নেতৃত্বে একটি মিছিল এবং হরতালের পক্ষে বিএনপির অন্য মিছিল মালিবাগ মোড়ে একে অপরের মুখোমুখি হয়। এ সময় মিছিলের ভেতর থেকে গুলি চালানো হলে বিএনপির চার কর্মী নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন জসিমউদ্দিন, খোকন, আব্দুর রশিদ মোল্লা ও নাজমা আক্তার। ঘটনার পর দিন প্রায় প্রতিটি দৈনিক পত্রিকায় সন্ত্রাসী দুলাল ও খোরশেদ আলমের পিস্তল দিয়ে মিছিলের মধ্যে গুলি করার ছবি প্রকাশিত হয়।

এ ঘটনায় ২০০২ সালের ২৯ ডিসেম্বর ডা. এইচবিএম ইকবালসহ ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হয়। ২০০৯ সালের ১৭ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব আবু সাঈদ মোল্লা মামলাটি থেকে কয়েকজন আসামির নাম প্রত্যাহারের সুপারিশ করেন। সে অনুযায়ী, ঢাকার এক নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল ২০১০ সালের ২৬ আগস্ট ও ২৯ সেপ্টেম্বর ১৫ আসামিকে অব্যাহতি দেন। বাকিদের বিরুদ্ধে বিচার চলমান থাকে।

আইনজীবী আমিনুল ইসলাম জানান, আদালত কেন অব্যাহতি দিয়েছে, সে সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত মতামত প্রকাশ করেননি। এ কারণে, পটপরিবর্তনের পর মামলার বাদী ইউনুস মৃধা হাইকোর্টে ২০১০ সালের দুটি আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে, আদালত দুটি আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করে রুল জারি করেন এবং ১৫ আসামিকে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন। নির্ধারিত সময়ে আত্মসমর্পণ না করলে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। মামলাটিতে এখন তাদের বিরুদ্ধে বিচার চলবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..